রোহিঙ্গাদের উগ্রবাদে জড়ানোর ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী | বিশ্ব | DW | 23.09.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

রোহিঙ্গাদের উগ্রবাদে জড়ানোর ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র সফররত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে দেরি হচ্ছে বলে তাদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে৷ অনেকের মধ্যে উগ্রবাদে জড়ানোর ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি৷

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ফোরসিবলি ডিসপ্লেসড মিয়ানমার ন্যাশনালস (রোহিঙ্গা) ক্রাইসিস: ইম্পেরাটিভস ফর এ সাস্টেইনেবল সলিউশন’ শীর্ষক ভার্চুয়াল বৈঠকে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা৷ যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড, তুরস্ক ও সৌদি আরব এই আয়োজনে সহযোগিতা করেছে৷

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমি বার বার বলে আসছি, তারা (রোহিঙ্গারা) মিয়ানমারের নাগরিক, সুতরাং নিরাপদে এবং আত্মমর্যাদার সঙ্গে নিজের দেশ মিয়ানমারেই তাদের ফিরে যেতে হবে৷ আমাদের সবাইকে, বিশেষ করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সেজন্য সম্ভব সব কিছু করতে হবে৷’’

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট একটি আন্তঃসীমান্ত এবং আঞ্চলিক সমস্যা, সুতরাং এ মানবিক সংকটের সমাধান করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরই দায়িত্ব৷ ‘‘গুরুতর এ সংকট বিলম্বিত হলে আমাদের সবার নিরাপত্তাই হুমকির মুখে পড়বে৷ প্রত্যাবাসনের উদ্যোগে কোনো উন্নতি না হওয়ায় রোহিঙ্গাদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে৷ তাদের অনেকে নানা অপরাধমূলক কাজে জড়াচ্ছে৷ তাদের অনেকের উগ্রবাদে জড়ানোর ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে৷ আমাদের পুরো অঞ্চলের জন্য এটা একটা হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে৷’’

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে প্রধানমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন যে, দুর্দশায় পড়া রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশ যা যা করছে, তার সবই সাময়িকভাবে৷ ‘‘আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমাদের বন্ধু আর উন্নয়ন অংশীদারদের প্রতি আমরা আহ্বান জানাচ্ছি, আমাদের এই চেষ্টায় সহযোগিতা করুন৷ রোহিঙ্গারা নিজেরাও তাদের বাড়ি ফিরে যেতে চায়,’’ বলেন তিনি৷  

করোনারটিকাকে ‘গ্লোবাল পাবলিক গুড’ ঘোষণার দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে পাঠানো ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, করোনা মহামারি মোকাবেলার লড়াইয়ে গতি আনতে কোভিড টিকার স্বত্ব কোনো দেশ বা কোম্পানির হাতে না রেখে বিশ্ববাসীর জন্য তা উন্মুক্ত করে দিতে হবে৷

তিনি বলেন, টিকা ধনী-গরিব বৈষম্য প্রকট করে তুলছে৷ করোনার সব টিকাকে ‘গ্লোবাল পাবলিক গুড’ ঘোষণা করা প্রয়োজন বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী৷ তিনি বলেন, ‘‘সর্বজনীন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার জন্য, উন্নয়নশীল ও এলডিসি দেশগুলোতে স্থানীয়ভাবে ভ্যাকসিন উৎপাদনের অনুমতি অবশ্যই দিতে হবে৷’’

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩ কোটি ৫০ লাখের বেশি মানুষকে কোভিড টিকা দেওয়া হয়েছে৷ ২০২২ সালের আগস্টের মধ্যে জনসংখ্যার ৮০ শতাংশকে টিকা দিতে প্রতি মাসে দুই কোটি মানুষকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে৷

শুক্রবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য রাখার কথা৷

জেডএইচ/কেএম (বিডিনিউজ, ইউএনবি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়