রোহিঙ্গাদের জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি বন্ধে মরিয়া সরকার | বিশ্ব | DW | 06.12.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

রোহিঙ্গাদের জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি বন্ধে মরিয়া সরকার

ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি এবং ভুয়া নাম-ঠিকানায় জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করে বাংলাদেশের মূলস্রোতে মিশে যেতে চাইছেন মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা৷

ভুয়া জাতীয়পরিচয়পত্র (এনআইডি) দিয়ে এক রোহিঙ্গা নারী চট্টগ্রাম থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে গিয়ে ধরা পড়ার পর বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন প্রায় অর্ধশত এনআইডি বিতরণ স্থগিত করে৷ তারপর থেকে জালিয়াতি আটকাতে সরকার এবং নির্বাচন কমিশন নানা উদ্যোগ গ্রহণ করছে৷

সম্প্রতি বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন কারিগরি, প্রশাসনিক ও সমন্বয় নামে তিনটি কমিটি গঠন করেছে বলে জানায় ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম৷

রোহিঙ্গাদের বন্ধে ওই তিন কমিটি সমন্বিতভাবে কাজ করবে৷

ইসির সিস্টেম ম্যানেজার মো. আশরাফ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত আট সদস্যের কারিগরি কমিটি ভোটার তালিকা ধরে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে কারিগরি দিকগুলো যাচাই করে দেখবে৷ প্রয়োজনে সরেজমিন তদন্ত করে মতামত দেবে৷

জালিয়াত চক্রের সঙ্গে ইসি বা প্রশাসনের কারা সম্পৃক্ত তা তদন্ত করে দেখবে যুগ্মসচিব কামরুল হাসানকে প্রধান করে গঠিত সাত সদস্যের প্রশাসনিক তদন্ত দল৷

এছাড়া রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকাভুক্তি নিয়ে অধিকতর তদন্তের জন্য এনআইডি উইংয়ের মহাপরিচালককে আহ্বায়ক করে গঠন করা হয়েছে ‘উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সমন্বয় কমিটি’৷

গত আগস্ট মাসে এক রোহিঙ্গা নারী ভুয়া এনআইডি নিয়ে চট্টগ্রামে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে গিয়ে ধরা পড়েন৷

এছাড়া গত সেপ্টেম্বরে টেকনাফে পুলিশের গুলিতে নিহত এক রোহিঙ্গা ডাকাতের কাছ থেকেও জাতীয় পরিচয়পত্র (স্মার্ট কার্ড) উদ্ধার করা হয়৷

বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশে তুমুল হট্টগোল শুরু হলে জালিয়াত চক্রের খোঁজে নামে নির্বাচন কমিশন৷ রোহিঙ্গা সন্দেহে আটকে দেওয়া হয় অর্ধশত এনআইডির বিতরণ৷

তদন্তে এনআইডি জালিয়াতিতে জড়িত অভিযোগে চট্টগ্রাম নির্বাচন কার্যালয়ের এক অফিস সহায়ককে দুই সহযোগীসহ আটক করা হয়৷ তাদের কাছ থেকে ইসির চুরি যাওয়া একটি পুরনো ল্যাপটপ জব্দ করে পুলিশ৷

জিজ্ঞাসাবাদে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এনআইডির একটি প্রকল্পে ঢাকায় কর্মরত আরো দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়৷

এর আগে ২০১৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের এক গোয়েন্দা প্রতিবেদনে কক্সবাজার জেলায় প্রায় চারশ’ রোহিঙ্গার নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল৷

কক্সবাজারের তৎকালীন এমপি আবদুর রহমান বদি ওই জালিয়াতিতে সরাসরি জড়িত ছিলেন বলেও খবর প্রকাশ পেয়েছিল৷

এসএনএল/এসিবি (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

গত মে মাসের ছবিঘরটি দেখুন...

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন