রোজায় সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনাকারী সন্দেহে ৪ ব্যক্তি গ্রেপ্তার | বিশ্ব | DW | 13.05.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

রোজায় সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনাকারী সন্দেহে ৪ ব্যক্তি গ্রেপ্তার

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে পবিত্র রমজান মাসে একাধিক সন্ত্রাসী হামলা চালানোর পরিকল্পনাকারী সন্দেহে চার ব্যক্তিকে আটক করেছে নিরাপত্তা বাহিনী৷ আটককৃতদের মধ্যে দুই রোহিঙ্গাও রয়েছেন৷

Syrien Angriff auf IS Stellungen in Baghouz (Getty Images/AFP/G. Cacace)

প্রতীকী ছবি

মালয়েশিয়ার পুলিশ সোমবার দেশটির এক নাগরিকসহ দুই রোহিঙ্গা এবং এক ইন্দোনেশীয় নাগরিককে গ্রেপ্তারের কথা নিশ্চিত করেছে৷ আটককৃতরা রোজার সময় কুয়ালালামপুর এবং আশেপাশের এলাকায় অনেক মানুষকে হত্যা ও  সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা করছিল বলে দাবি পুলিশের৷

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার পর থেকেই মালয়েশিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী সতর্কাবস্থায় রয়েছে৷ আন্তর্জাতিক জঙ্গি গোষ্ঠী ‘ইসলামিক স্টেট' সেই হামলার দায় স্বীকার করেছিল৷

গ্রেপ্তারকৃতদের ‘‘ওল্ফ প্যাক'' আখ্যা দিয়ে দেশটির পুলিশ প্রধান আব্দুল হামিদ বাদর গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘‘প্যাকটির সদস্যরা রমজানের প্রথম সপ্তাহে এক বড় হামলার পরিকল্পনা করেছিল৷ গত নভেম্বরে এক হিন্দু মন্দিরে জাতিগত দাঙ্গার সময় এক মুসলমান দমকলকর্মীকে পিটিয়ে মারার ঘটনার প্রতিশোধ নিতে এমন হামলা চালাতে চাচ্ছিলো তারা৷''

বর্ণবাদী মন্তব্য করে হিন্দু নেতারা সেই দাঙ্গা ঘটিয়েছিল বলে মনে করেন কিছু মালয় মুসলমান৷ এ নিয়ে সেদেশে মুসলমানদের মধ্যে উত্তেজনাও সৃষ্টি হয়েছিল৷ এক সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল হামিদ বাদর বলেন, ‘‘ইসলামকে অপমান করেছেন এবং ধর্মটির গুরুত্ব রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছেন এমন ব্যক্তিত্বদের হত্যারও পরিকল্পা করেছিল গ্রেপ্তারকৃত চক্রটি৷''

গ্রেপ্তারকৃতদের একজন মিয়ানমার থেকে আগত বিশ বছর বয়সি এক রেস্তোরাঁ কর্মী৷ তিনি মিয়ানমারের রাখাইন অঞ্চলে সক্রিয় বিদ্রোহী গ্রুপ আরকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসার)-র সদস্য বলেও জানিয়েছেন আব্দুল হামিদ বাদর৷

উল্লেখ্য, মিয়ানমারে নিপীড়নের শিকার রোহিঙ্গারা প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ ছাড়াও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিচ্ছে৷ মালয়েশিয়ায় জাতিসংঘের কাছে নিবন্ধিত নব্বই হাজারের মতো রোহিঙ্গা বসবাস করছে৷ তবে বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার হিসেবে দেশটিতে দু' লাখের মতো রোহিঙ্গা বাস করছেন৷

এআই/এসিবি (রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন