‘রাষ্ট্র ব্যবস্থাই আজ গুজবের মূল কারণ′ | পাঠক ভাবনা | DW | 23.07.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

পাঠক ভাবনা

‘রাষ্ট্র ব্যবস্থাই আজ গুজবের মূল কারণ'

‘আইন, প্রশাসনের প্রতি গণমানুষের আস্থা উঠে যাওয়াই এইসব গণপিটুনির মতো ঘটনাগুলির প্রধান কারণ৷' গুজব ছড়ানো নিয়ে এই মন্তব্য করেছেন একজন পাঠক ফেসবুক পাতায়৷ ভিন্ন ভিন্ন মত থাকলেও বেশিরভাগ পাঠকই দেশের প্রশাসনকেই দায়ী করছেন৷

বর্তমান বিচার ব্যবস্থা মানুষের আস্থা অর্জন করতে অনেকটাই ব্যর্থ৷ তাই অনেক ক্ষেত্রে মানুষ আইন নিজ হাতে তুলে নিচ্ছে, যা দীর্ঘ মেয়াদে সমাজ ব্যবস্থার জন্য চরম হুমকি হয়ে দাঁড়াবে৷ আসলে রাষ্ট্র ব্যবস্থাই আজ গুজবের মূল কারণ'  মনে করেন ডয়চে ভেলের পাঠক মোহাম্মদ কাওসার৷ 

পাঠক অভিজিৎ পাল গুজব নিয়ে তার ব্যক্তিগত মতামত  জানাতে গিয়ে লিখেছেন, ‘‘ছেলেধরা গুজবটি যশোরের কেশবপুর থেকে শুরু হয়ে এটি খুলনার পাইকগাছা, কয়রা, ডুমুরিয়া, হয়ে শহরে পর্যন্ত ছরায়, ছরিয়ে পরে পার্শ্ববর্তী জেলা সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট৷ গত কয়েক মাস আগের কাহিনী এটা৷ এই গুজবে তখন রোহিঙ্গারা করছে বলা হয়েছিল৷ একজন খুলনার ডুমুরিয়াই মারাও যায়৷ অবাক বিষয় যারা আক্রান্ত হয়েছিলেন তারা কেউ রোহিঙ্গা নয়৷ তারা মানসিক রোগী অধিকাংশই পাশের জেলার লোক৷ ছেলেধরা বিষয়টি এখন ঢাকায়৷ আমার কাছে মনে হয় এটা পরিকল্পিত৷''

‘সব কথার এক কথা, আমরা যতদিন নিজেরা ভাল না হবো ততদিন কোন কিছুই সম্ভব না' মন্তব্য প্রদীপ মুখার্জির৷ 

‘‘গুজব নয় বিশ্বাস করি কি করে? বিভিন্ন জায়গায় শিশুদের মাথাসহ যুবক ঘোরাঘুরি করে৷ আমরা নিরুপায়৷ নিজে এবং নিজের বাচ্চাকে নিয়ে শঙ্কায় আছি৷'' জহুরা খাতুন লিখেছেন একথা৷ 

আইন, প্রশাসনের প্রতি গণমানুষের আস্থা উঠে যাওয়ার কাণেই এসব গণপিটুনির এই ঘটনা ঘটছে বলে মনে করেন জহুরুল হক৷ তবে পাঠক আবুল বিন ফরহাদের ভিন্ন মত৷ তিনি মনে করেন বেকার যুবকরাই গুজব ছড়াচ্ছে, তার ধারনা বেকার যুবকদের কাজের ব্যবস্থা করলে নাকি গুজব অনেক কমে যাবে৷

আর এদিকে  পাঠক পারভেজ কিছুটা অভিযোগের সুরে লিখেছেন, ‘‘সমস্যা হচ্ছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো খবর ভাইরাল না হওয়া পর্যন্ত সাংবাদিকরা ও এখন নিউজ করে না৷''

সবশেষে পাঠক এস্ট্রেলা অ্যান্থোনি জানিয়েছেন, ‘‘আমার লজ্জা করে যে আমি এই দেশে জন্ম নিয়েছি''

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: খালেদ মুহিউদ্দীন

নির্বাচিত প্রতিবেদন