রাষ্ট্রপতির ছেলের ড্রাইভারকে প্রহার, জবি ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত | বিশ্ব | DW | 01.07.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

রাষ্ট্রপতির ছেলের ড্রাইভারকে প্রহার, জবি ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত

প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদের ছেলে রিয়াদ আহমেদ তুষারের গাড়িচালককে মারধরের ঘটনার পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে৷

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

শুক্রবার ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,  ‘‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করা হলো৷’’ তবে বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কারণ বলা হয়নি৷ এ বিষয়ে জানতে আল নাহিয়ান খান জয় ও লেখক ভট্টাচার্যকে একাধিকবার ফোন করেও সাড়া পায়নি ডয়চে ভেলের কনটেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম৷

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির বেশ কয়েকজন নেতা জানাচ্ছেন, রাষ্ট্রপতির ছেলের গাড়ি চালককে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের লোকজনই মারধর করেছে৷ তাই আপাতত কমিটির কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে৷

গত রোববার ওয়ারীতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম হলের কাছে কৌশিক সরকার সাম্য নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের এক শিক্ষার্থী রাষ্ট্রপতির ছেলের গাড়ি চালককে মারধর করে৷ সোমবার সন্ধ্যায় ওয়ারী থানায় কৌশিকসহ কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী নজরুল ইসলাম৷

কৌশিক বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত৷ তার ফেসবুক ওয়ালে আখতারের সঙ্গে ছবি ছাড়াও নিয়মিত ছাত্রলীগকেন্দ্রিক পোস্ট শেয়ার করতে দেখা যায়৷

এদিকে কর্মীদের দিয়ে পুরান ঢাকার রায়সাহেব বাজার মোড়ে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চাঁদাবাজি করার ঘটনাও সামনে আসছে বলে জানান কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের এক সহসভাপতি৷

তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন,  ‘‘ইব্রাহিম ও আখতারকে সভাপতি-সম্পাদক করে কমিটি ঘোষণার পর থেকেই পুরান ঢাকা এলাকায় তারা বেপরোয়াভাবে চাঁদাবাজি শুরু করেছে৷ পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সিসিটিভির ফুটেজ তো সবার কাছেই আছে৷’’

চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্যের জন্য একাধিকবার ফোন করা হলেও ইব্রাহিম ও আখতার ফোন ধরেননি৷

২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে ‘প্রেমঘটিত' কারণে মারামারির জেরে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের আগের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়৷ তিন বছর পর ইব্রাহিম ফরাজী ও আখতার হোসেনের নেতৃত্বে গত ১ জানুয়ারি নতুন কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্ৰীয় ছাত্রলীগ৷

 এনএস/কেএম (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)