রাশিয়ার বিমানে গুলি করে দক্ষিণ কোরিয়ার সতর্কবাণী | বিশ্ব | DW | 23.07.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

রাশিয়ার বিমানে গুলি করে দক্ষিণ কোরিয়ার সতর্কবাণী

রাশিয়ান সামরিক বিমানে সতর্কীকরণ হামলা চালিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া৷ সিউলের দাবি, রাশিয়ার যুদ্ধবিমান দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশসীমায় ঢুকে পড়েছিল৷ জাপানও তাদের সীমান্ত এলাকায় এমন ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে৷

কোরিয়ার পূর্ব উপকূলে ছোট্ট দ্বীপ দোকদো৷ দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান দু'দেশই এর মালিকানা দাবি করে৷ মঙ্গলবার সেই সীমান্ত এলাকা দিয়ে রাশিয়ার তিনটি বিমান ঢুকে পড়ে৷ এদের মধ্যে দু'টি টু-৯৫ বম্বার্স ও একটি  এ-৫০ বিমান৷

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বিবৃতিতে জানায়, দেশের আকাশসীমায় ঢুকে পড়া রাশিয়ার তিনটি যুদ্ধবিমানকে সতর্ক করতে ৩৬০ রাউন্ড গুলি ছোঁড়া হয়েছে৷ সিউল বলেছে, তাদের একটি এফ-১৫ ও একটি এফ-১৬ বিমান সতর্কীকরণ গুলিবর্ষণ শুরু করে৷

বার্তা সংস্থাগুলো জানিয়েছে, প্রথমবার স্থানীয় সময় সকাল নয়টায় রাশিয়ার বিমানগুলো তিন মিনিটের জন্য ঢুকে আবার বেরিয়ে যায়৷ আধাঘন্টা পরে আবার ঢুকে রাশিয়ার বিমানগুলো৷ এ পর্যায়ে দুই দেশের বিমানগুলো এক কিলোমিটার দূরত্বে চলে আসে৷ তবে চার মিনিট সেখানে থেকে আবার চলে আসে৷

দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা পরামর্শক চুং এউই-ইয়ং বলেছেন, ‘‘আমরা ঘটনাটি কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করছি এবং এমন কিছু আবারো ঘটলে আরো কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে৷'' সিউলের এক মুখপাত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি এ বক্তব্য প্রকাশ করেছে৷

এদিকে, দোকদো দ্বীপকে জাপান তাকেশিমা বলে সম্বোধন করে৷ তাদের প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘‘আমরা জানতে পেরেছি, রাশিয়ার বিমান একাধিকবার তাকেশিমার কাছে আমাদের আকাশসীমা অতিক্রম করেছে৷ আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছি৷''

তবে রাশিয়া এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে৷ তাদের বক্তব্য হলো, সিউল যাকে নিজেদের আকাশসীমা বলছে, তা মস্কো স্বীকৃতি দেয় না৷ এটা তাদের নিজেদের ‘বানানো আকাশসীমা'৷  

‘‘জাপান সাগরের ওপরে উন্মুক্ত আকাশে রাশিয়ার বিমান চলাচলে হস্তক্ষেপ এবারই প্রথম করেনি দক্ষিণ কোরিয়া'' বিবৃতিতে দিয়েছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়৷ 

‘‘(তাদের অধিকারে) এমন ‘অঞ্চল' আন্তর্জাতিকভাবে  স্বীকৃত নয়৷''

রাশিয়ার দাবি, তাদের উদ্দেশ্য শত্রুতামূলক  ছিল না৷

জেডএ/কেএম (এপি, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন