1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান
রাশিয়ায় বিক্ষোভ
ছবি: Alexander Zemlianichenko/AP Photo/picture alliance

রাশিয়ার বিক্ষোভে গ্রেপ্তার তিন হাজার

২৫ জানুয়ারি ২০২১

নাভালনি গ্রেপ্তার এবং কৃষ্ণসাগরের ধারে পুটিনের প্রাসাদ নিয়ে তীব্র বিক্ষোভ রাশিয়ায়। গ্রেফতার তিন হাজারেরও বেশি মানুষ।

https://www.dw.com/bn/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%8B%E0%A6%AD%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0/a-56331441

যত দিন যাচ্ছে নাভালনির গ্রেপ্তার ঘিরে ততই উত্তপ্ত হচ্ছে রাশিয়া। শনি এবং রোববার দেশ জুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। নাভালনির এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু ডিডাব্লিউকে জানিয়েছেন, যে ভাবে দেশ জুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে, তাতে রীতিমতো চিন্তিত ক্রেমলিন। যদিও ক্রেমলিন এ কথা মানতে চায়নি। শনি এবং রোববারের বিক্ষোভকে নেহাতই মামুলি বিক্ষোভ বলে দাবি করা হয়েছে।

রাশিয়ান সিভিল রাইট পোর্টালের দাবি, শনিবার দেশের ১০০টি রাজ্যে বিক্ষোভ হয়েছে। সব মিলিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছে তিন হাজার ৪০০। এর মধ্যে শুধমাত্র মস্কোতেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে এক হাজার ৩৬০ জনকে। অন্য দিকে সেন্ট পিটার্সবার্গে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৫২৩ জনকে। সব মিলিয়ে গোটা দেশে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বলে ওই মানবাধিকার সংগঠনটির দাবি।

ক্রেমলিন অবশ্য এই সংখ্যা মানতে রাজি হয়নি। সরকারের মুখ্য মুখপাত্র ডিমিট্রি পেসকভ জানিয়েছেন, 'সামান্য কিছু মানুষ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন।' মোট গ্রেপ্তারের সংখ্যাও জানানো হয়নি। তবে প্রতিবাদীদের বক্তব্য, সেন্ট পিটার্সবার্গে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে। সেখানে দেখা গেছে, কী ভাবে এক নারীকে লাথি মারছে পুলিশ।

নাভালনির বন্ধু আশুরকভ ডিডাব্লিউকে জানিয়েছেন, কেবলমাত্র নাভালনির গ্রেপ্তার নয়, কৃষ্ণসাগরের ধারে পুটিনের যে প্রাসাদের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে, তা নিয়েও ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। বস্তুত, শনিবারের বিক্ষোভে প্রতিবাদীদের বক্তব্য ছিল, মস্কোর একনায়কতন্ত্র তাঁরা আর মেনে নেবেন না। পোস্টারে লেখা ছিল, পুটিন রাশিয়ার জন্য একটু বেশিই দামী হয়ে গেছেন।

বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, এই প্রতিবাদ চলতে থাকবে। যে ভাবে নাভালনিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তা তাঁরা মানবেন না। অন্য দিকে রাশিয়া এই বিক্ষোভের পিছনে অ্যামেরিকার হাত দেখতে পাচ্ছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে ক্রেমলিন ডেকেও পাঠিয়েছে। সোমবার রাষ্ট্রদূত রাশিয়ার প্রশাসনের সঙ্গে দেখা করতে পারেন।

সব মিলিয়ে রাশিয়ায় পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ তৈরি হচ্ছিল, এতদিনে তার বহিঃপ্রকাশ দেখা যাচ্ছে।

উল্লেখ্য গত অগাস্ট মাসে নাভালনিকে বিষ দিয়ে মারার চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ। অভিযোগ পুটিনের বিরুদ্ধে। জার্মানিতে দীর্ঘদিন চিকিৎসা হয় এই পুটিন বিরোধী রাজনীতিকের। গত সপ্তাহে তিনি দেশে ফেরেন। বিমানবন্দর থেকেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এপি)

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

Symbolbild I Energiearmut I Hohe Energiepreise

‘গ্যাস সংকটের সহসা সমাধান নেই’

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

প্রথম পাতায় যান