রাজার জন্মদিনে রাজতন্ত্রের অবসানের দাবি | বিশ্ব | DW | 30.07.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

থাইল্যান্ড

রাজার জন্মদিনে রাজতন্ত্রের অবসানের দাবি

রাজা মহাভিজিরালোংকর্নের ৬৮তম জন্মদিন উদযাপন করেছে থাইল্যান্ড৷ তবে রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার বিপরীতে রাজতন্ত্রের অবসানের জোর দাবিও উঠেছে৷ জার্মানিতেও উঠছে এ দাবি৷

থাইল্যান্ডের রাজা মহাভাজিরালোংকর্ন করোনা-সংকট ভয়াবহ রূপ নেয়ার আগেই অবকাশ যাপনের জন্য জার্মানিতে চলে আসেন৷ তাই মঙ্গলবার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটিতে নিজের জন্মদিনের রাষ্ট্রীয় আয়োজনে তিনি থাকতে পারেননি৷

রাজার জন্মোৎসবের দিনে রাজধানী ব্যাংককে প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চান-ওচার নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ রাজার প্রতি অনুগত থেকে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার করেন৷ প্রথা অনুযায়ী ৬৯ জন বৌদ্ধ ভিক্ষুর উপস্থিতিতে এ আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়৷

অন্যদিকে রাজার জন্মদিনেও সরকারবিরোধীদের বিক্ষোভ হয়েছে থাইল্যান্ডে৷ সেখানে রাজার বিরুদ্ধেও উঠেছে শ্লোগান৷ রাজতন্ত্র অবসানের দাবিতে লেখা নানা ধরনের প্ল্যাকার্ড দেখা গেছে বিক্ষোভ আন্দোলনরতদের হাতে৷

‘রামা দশ' নামেও পরিচিত রাজা মহাভাজিরালোংকর্ন করোনা সংকটের সময় প্রবাসে নিষ্ক্রিয় সময় কাটাচ্ছেন৷ তার এই নিষ্ক্রিয়তায় সরকারবিরোধীরা ক্ষুব্ধ৷

রাজার সমালোচনা দণ্ডনীয় অপরাধ

জার্মানির বাভারিয়া রাজ্যের এক বিলাসবহুল হোটেলে রাজা মহাভিজিরালোংকর্নের দিন কেমন কাটছে তা প্রায়ই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে উঠে আসছে৷ তবে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হতে পারে বলে সেসব খবর থাইল্যান্ডে প্রকাশ করা হয় না৷

থাইল্যান্ডে রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে সব ধরনের তৎপরতা আইনত দণ্ডনীয়৷ রাজতন্ত্রের বা রাজার বিরুদ্ধে বিরূপ মন্তব্যের কারণেও তিন থেকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে৷

রাজতন্ত্র-বিরোধিতার কারণে মানসিক হাসপাতালে

অ্যাক্টিভিস্ট টিয়াগন উইদিটন নানা বিষয়ে সরকারের সমালোচনার এক পর্যায়ে ‘‘আমি রাজতন্ত্রের ওপর বিশ্বাস হারিয়েছি'' লেখা টি-শার্ট পরে ছবি তুলেছিলেন৷ সেই ছবি ফেসবুকে পোস্ট করার পর তাকে মানসিক চিকিৎসার হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয়৷ সরকারবিরোধী বিক্ষোভে তার মুক্তির দাবিও ওঠে৷ দু সপ্তাহ হাসপাতালে থাকার পর গত ২২ জুলাই উইদিটন ‘মুক্তি' পেয়েছেন৷

জার্মানিতে রাজার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

রাজা মহাভাজিরালোংকর্ন নিজের দেশ থেকে প্রায় সাড়ে আট হাজার কিলোমিটার দূরে জার্মানির বাভারিয়া রাজ্যের এক বিলাসবহুল হোটেলে থেকেও বিক্ষোভের আঁচ পাচ্ছেন৷ তার জন্মদিনে অলাভজনক সংস্থা পিক্সেলহেল্পার ফাউন্ডেশন এবং জার্মানিতে অবস্থানরত থাই নাগরিকরা প্রতিবাদ সমাবেশ করে৷

নির্বাসিত অ্যাক্টিভিস্ট জুনিয়া ইম্প্রাসার্টের নেতৃত্বে এদিন বার্লিনের ব্রান্ডেনবুর্গ গেটের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়৷ সমাবেশে ইম্প্রাসার্ট বলেন, ‘‘আমাদের লক্ষ্য রাজতন্ত্র বিলুপ্ত করা৷''

এসিবি/কেএম

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন