রাজস্থানে মৃত পাকিস্তান থেকে আসা পরিবার | বিশ্ব | DW | 10.08.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

রাজস্থানে মৃত পাকিস্তান থেকে আসা পরিবার

রাজস্থানে শরণার্থী হিসেবে এসে মৃত্যু হলো পাকিস্তানের একটি পরিবারের। পুলিশের ধারণা বিষাক্ত রাসায়নিক গ্যাস থেকেই মৃত্যু হয়েছে তাদের।

ফাইল চিত্র

ফাইল চিত্র

রাজস্থানের যোধপুরে অস্বাভাবিক মৃত্যু ১১ জন পাকিস্তান থেকে আসা শরণার্থীর। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান বিষাক্ত রাসায়নিক গ্যাস থেকেই একই পরিবারের ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা। দেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। গোটা গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

বছর পাঁচেক আগে পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশ থেকে ভারতে চলে এসেছিল এই হিন্দু পরিবারটি। জয়পুর থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে যোধপুর জেলার লোড়তা গ্রামে বসবাস করতে শুরু করেছিলেন তাঁরা। মূলত মজুর এবং চাষবাসের কাজ করতেন তাঁরা। খেত লাগোয়া একটি ছোট বাড়িতে থাকতেন সকলে। রোববার সকালে ওই বাড়িতেই ১১ জনের মৃতদেহ পাওয়া যায়।

ওই পরিবারের এক সদস্য ৩৭ বছরের কেওয়াল রাম। শনিবার রাতে বাড়ি ফেরেননি তিনি। মাঠেই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। সকালে বাড়ি ফিরে তিনিই প্রথম মৃতদেহগুলি দেখতে পান। মৃতদের মধ্যে ছয় জন প্রাপ্ত বয়স্ক এবং পাঁচজন নাবালক। কেওয়াল গোটা গ্রামে খবর দেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হয়েছিল, এটি আত্মহত্যার ঘটনা। পরে বাড়িতে এবং বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় বিষাক্ত গ্যাসের গন্ধ পাওয়া যায়। পুলিশের ধারণা এক ধরনের বিষাক্ত রাসায়নিক কীটনাশক থেকেই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ঘুমের মধ্যে কেউ বুঝতেই পারেননি যে বিষাক্ত গ্যাস বন্ধ ঘরে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা এখনও মৃত্যু কারণ স্পষ্ট করেননি।

ভারতে নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য আবেদন করেছিল এই পরিবারটি। প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখত পরিবারটি। শেষ পর্যন্ত আর নাগরিকত্ব পাওয়া হলো না তাদের।

রাজস্থান পুলিশ জানিয়েছে, অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে এই ঘটনাটির তদন্ত করা হচ্ছে। এর পিছনে অন্য কারও হাত রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দ্রুত ফলাফল জানা যাবে। বিজেপি ইতিমধ্যেই এই ঘটনা নিয়ে সোচ্চার হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের রাজত্বে এটা ঘটতেই পারে। তিনি শাসনে মনই দেন না।

এসজি/জিএইচ (পিটিআই, এএনআই)

বিজ্ঞাপন