রাজপরিবারের বিরুদ্ধে কথা বলে ৪৩ বছরের জেল | বিশ্ব | DW | 20.01.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

থাইল্যান্ড

রাজপরিবারের বিরুদ্ধে কথা বলে ৪৩ বছরের জেল

থাইল্যান্ডে এক নারীর ৪৩ বছরের জেল হয়েছে। তিনি সোশ্যাল নেটওয়ার্কে রাজপরিবারের বিরুদ্ধে কথা বলেছিলেন।

রাজ পরিবার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন, সে কারণে ৪৩ বছর কারাবাসের রায় শুনতে হলো এক থাই নারীকে। এক সময় দেশের প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। অভিযোগ, পডকাস্টে রাজ পরিবার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি।

৬৩ বছরের ওই নারীর নাম আনচন। দীর্ঘ সময় থাইল্যান্ডে প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। ২০১৪ থেকে '১৫ সালের মধ্যে সোশ্যাল নেটওয়ার্কে বেশ কিছু পডকাস্ট আপলোড করেছিলেন তিনি। একটি গ্রুপের তরফে ওই কাজ তিনি করেছিলেন। সেখানে থাইল্যান্ডের রাজপরিবারের আর্থিক বিষয় নিয়ে কিছু প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। তারই জেরে এই অভূতপূর্ব শাস্তি।

থাইল্যান্ডে বরাবরই রাজপরিবারের আইন খুব শক্তিশালী। রাজপরিবারের বিরুদ্ধে কথা বলা ঘোরতর অন্যায় বলে মনে করা হয়। কেউ প্রশ্ন তুললে কঠিনতম শাস্তির বিধান রয়েছে। প্রাথমিক ভাবে আনচনকে ৮৭ বছর হাজতবাসের সাজা শোনানো হয়েছিল। এরপর আদালতে তিনি অভিযোগ স্বীকার করে নিলে শাস্তি কমিয়ে ৪৩ বছর করা হয়।

থাইল্যান্ডে রাজ পরিবারের ক্ষমতা নিয়ে গত এক বছর ধরে তীব্র আন্দোলন চলছে। ২০১৪ সালে সেখানে সেনা জুন্টা সরকার গঠনের পর গণতন্ত্র রক্ষিত হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠছে। তারই জেরে গণতন্ত্রপন্থিরা দীর্ঘ আন্দোলন শুরু করেছেন। যার নেতৃত্বে রয়েছেন ছাত্রছাত্রীরা। গণতন্ত্রপন্থিদের অন্যতম দাবি, রাজপরিবারের ক্ষমতা কমাতে হবে। রাজপরিবারের বিরুদ্ধে কথা বললে আইনের যে ধারা প্রয়োগ করা হয়, তাও বাতিল করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। থাইল্যান্ডের সেনা বাহিনীর মাথায় এখন রাজা। সাধারণত তাঁর দায়িত্ব আলংকারিক হয়। কিন্তু থাইল্যান্ডে রাজার হাতেই সেনা বাহিনীর ক্ষমতা। গণতন্ত্রপন্থিদের অভিযোগ, রাজার সেই ক্ষমতাও বাতিল করতে হবে।

আন্দোলন চলছে। সরকার পুলিশ দিয়ে আন্দোলন দমনও করছে। তারই মধ্যে আনচনের শাস্তি রীতিমতো সাড়া ফেলে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, আনচনের সাজাকে কেন্দ্র করে নতুন

করে উত্তপ্ত হয়ে উঠবে ব্যাংকক।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স)

বিজ্ঞাপন