রাজনৈতিক অস্থিরতার উত্তাপ ফেসবুকে | বিশ্ব | DW | 09.01.2015
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

রাজনৈতিক অস্থিরতার উত্তাপ ফেসবুকে

বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার উত্তাপে গরম ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতা৷ অবরুদ্ধ খালেদা জিয়া, তারেকের বক্তব্য প্রকাশের নিষেধাজ্ঞা আর ইটিভি চেয়ারম্যানের গ্রেপ্তার নিয়ে মন্তব্য করেছেন অনেক পাঠক৷

প্রতিক্রিয়া মিশ্র৷ বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতার জন্য বিএনপি-র সমাবেশ, অবরোধ ঘোষণাকে দায়ী করছেন কেউ কেউ৷ অনেকে আবার সভা, সমাবেশের মতো গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের জন্য সরকারকে দায়ী করছেন৷ পাশাপাশি ইটিভি চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তারের বিষয়টিও অনেকে দেখছেন গণমাধ্যমের উপর হস্তক্ষেপ হিসেবে৷

ডয়চে ভেলের পাঠক সাদিক খান ফেসবুকে লিখেছেন, ‘‘সমাজ বিজ্ঞানে পড়েছিলাম সরকার এবং রাষ্ট্র আলাদা৷ সরকার রাষ্ট্রের উপাদান মাত্র৷ সুতরাং সরকারবিরোধী মানে রাষ্ট্রবিরোধী না৷ তারা রাষ্ট্রদ্রোহের কী করলেন আমার বুঝে আসেনা? এই ভাবে রাষ্ট্রকে রাজনীতির স্বার্থে ব্যবহার করা উচিত না৷'' সোহেল তালুকদার লিখেছেন, ‘‘তারেক রহমান ও আবদুস সালাম নয়, বর্তমান সরকারের সময় যে কেউ সত্য কথা বললে রাষ্টদ্রোহি মামলার আসামি হতে পারেন৷''

ডয়চে ভেলের পাঠক ফারহানা শারমিন উর্মি মনে করেন, ‘‘তারেকের বক্তব্য সম্প্রচার নিয়ে কোর্টের নিষেধাজ্ঞার কারণে আমার মনে হয় বিএনপিরই লাভ হল৷ তার কারণে বিএনপিকে নতুন করে বিব্রতকর অবস্থাতে পড়তে হবেনা৷ এবং আওয়ামী লীগেরও কিছুটা লস হল৷ কারণ এই তারেকের কারণেই বিএনপিকে ছাই দিয়ে শক্ত করে ধরতে পেরেছে আওয়ামী লীগ জনসভা করতে দেয়া না দেয়া নিয়ে৷''

এদিকে, উত্তাপ ছড়াচ্ছে টুইটারেও৷ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম, মানবাধিকার সংগঠনের বাংলাদেশ বিষয়ক প্রতিবেদন, উদ্বেগ শেয়ার করছেন অনেকে৷ শুক্রবার সবচেয়ে বেশি টুইট হয়েছে বিরোধী দলের ওপর ‘দমন-পীড়ন' বন্ধে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের আহ্বান৷ পাশাপাশি অ্যামনেস্টির উদ্বেগের কথাও টুইট করেছেন অনেকে৷

উল্লেখ্য, গত পাঁচ জানুয়ারি বাংলাদেশের দশম জাতীয় নির্বাচনের এক বছর পূর্তিতে সমাবেশ করতে চেয়েছিল বিএনপিসহ বিশ দল৷ কিন্তু সমাবেশকে কেন্দ্র করে খালেদা জিয়াকে তাঁর গুলশান কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখে পুলিশ৷ এছাড়া ঢাকায় সভা, সমাবেশও নিষিদ্ধ করা হয়৷ সবমিলিয়ে রাজনৈতিক সহিংসতায় বছরের প্রথমেই প্রাণ হারিয়েছে কমপক্ষে সাত ব্যক্তি৷

সংকলন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন