রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্ত বাবুলের, বোঝাচ্ছেন শাহ | বিশ্ব | DW | 02.08.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্ত বাবুলের, বোঝাচ্ছেন শাহ

মন্ত্রিত্ব যাওয়ায় অভিমান হয়েছিল আগেই। এবার রাজনীতি ছাড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন বাবুল সুপ্রিয়। বোঝানোর চেষ্টায় বিজেপি নেতৃত্ব।

ধোঁয়শা তৈরি হয়েছিল সপ্তাহখানেক আগেই। এবার সেই ধোঁয়াশায় নতুন মাত্র যোগ হলো। ফেসবুক নতুন পোস্ট করলেন বিজেপির সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। যিনি গায়ক হিসেবে সুপরিচিত। বাবুল জানিয়েছেন, রাজনীতি থেকে মুক্তি পেতে চান তিনি। ফলে অচিরেই সাংসদ পদ থেকে পদত্যাগ করে কেবলমাত্র 'সমাজসেবা'য় ব্রতী হবেন।

গত প্রায় সাত বছর কেন্দ্রে মন্ত্রী ছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। সে সময় নরেন্দ্র মোদী এবং অমিত শাহের বহু প্রশংসা করেছেন তিনি। দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সঙ্গে একাধিকবার ঝামেলায় জড়িয়েছেন তিনি। নিজস্ব পরিসরে তিনি দাবি করতেন, দিলীপ ঘোষকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনেই করেন না তিনি। কারণ, তার মাথায় মোদী-শাহের হাত আছে। সেই বাবুলই সপ্তাহখানেক আগে মন্ত্রিত্ব হারিয়েছেন। নরেন্দ্র মোদী যে নতুন নতুন মন্ত্রিসভা তৈরি করেছেন, সেখানে বাবুলের জায়গা হয়নি। বিষয়টি যে তার পছন্দ হয়নি, প্রকাশ্যেই তা জানিয়েছিলেন বাবুল। সমাজ মাধ্যমে লিখেছিলেন, মন্ত্রিত্ব চলে যাওয়ায় তার মন খারাপ হয়েছে। কিন্তু তাতেও বরফ গলেনি। মোদী বাবুলকে ডেকে নেননি।

মাঝে বেশ কিছুদিন নীরব ছিলেন বাবুল। শনিবার থেকে ফের একের পর এক পোস্ট করতে শুরু করেন তিনি। সেখানে তিনি লিখেছেন, রাজনীতি এবং সাংসদ পদ দুটো থেকেই পদত্যাগ করবেন তিনি। এরপর কেবল সমাজসেবা করবেন। রাজনীতি আর তার ভালো লাগছে না।

বাবুলের এই পোস্টের পরেই নড়েচড়ে বসে বিজেপি। বাবুল আসানসোলের সাংসদ। সেখানে এখন উপনির্বাচন হলে বিজেপির পক্ষে জেতা সহজ নয়। ফলে শুরু হয় বাবুলকে বোঝানোর পালা। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা বাবুলকে ডেকে পাঠান। দীর্ঘক্ষণ কথা বলেছেন। বাবুলকে বলা হয়েছে, আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতার হাত থেকে মন্ত্রিত্ব সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাদেরকে দলে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হবে। বাবুলকেও তেমন কোনো দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। শুধু নাড্ডা নন, অমিত শাহও বাবুলের সঙ্গে কথা বলেছেন বলে বিজেপির এক সূত্র দাবি করেছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও তার কথা হতে পারে।

তবে এতকিছুর পরেও বাবুলের মন গলেছে বলে শোনা যায়নি। বাবুলের ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, এখনো নিজের পুরনো সিদ্ধান্তেই অনড় তিনি।

এসজি/জিএইচ (পিটিআই, আনন্দবাজার)