‘রাজনীতিকদের ক্ষমতার অপব্যবহারই জঙ্গিবাদের জন্য দায়ী ′ | আলাপ | DW | 22.07.2016

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

আলাপ

‘রাজনীতিকদের ক্ষমতার অপব্যবহারই জঙ্গিবাদের জন্য দায়ী '

বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ দিনদিন বেড়ে চলেছে৷ এর আসল কারণ কী ? বর্তমানের সবচেয়ে আলোচিত এই বিষয়টি নিয়েই পাঠকরা লিখেছেন ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায়৷

ডয়চে ভেলের ফেসবুক বন্ধু আবির খানের মতে, ‘‘যতদিন মধ্যপ্রাচ্যে রক্ত ঝরা বন্ধ হবেনা, ততদিন তথাকথিত জঙ্গিদের দমন করাটাও সম্ভব নয়৷ অনেকটা এরকম যে, শিশু বড় হবে পশ্চিমাদের বোমার স্প্লিন্টারে নিহত বাবা, মা, ভাই, বোনদের লাশ দেখে, তাদেরকে আপনি যতই শান্তির বাণী শোনান তারা কিন্তু শান্তভাবে বড় হবেনা৷ ''

‘চুপ করে থাকলেই যেন সবকিছু থেমে যাবে' অনেকটা এরকম মনোভাব পাঠক আবুল খায়েরের৷ তাঁর মতে জঙ্গিবাদ নিয়ে মিডিয়ার মাথা ঘামানোর কারণেই নাকি জঙ্গিবাদের উত্থান হচ্ছে৷

আর ফেসবুকবন্ধু শাহাবুদ্দিন ইলিয়াস এখনো মনে করেন যে, ‘‘বাংলাদেশে কোনো জঙ্গি নাই, যা দেখা যাচ্ছে তা নাকি বিদেশিদের ষড়যন্ত্র৷''

আর বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার কারণ সম্পর্কে মো. রিয়াজুল করিম রিজেলের ধারণা, ‘‘ অবৈধ হাসিনা সরকারের দুঃশাসনের কারণেই বাংলাদেশে জঙ্গিরা মাথাচাড়া দিয়েছে৷''

বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের উত্থানের জন্য দেশের রাজনীতিকদের ক্ষমতা অপব্যবহারের প্রবণতাকে দায়ী করেছেন পাঠক মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ৷ তিনি লিখেছেন, ‘‘বাংলাদেশের মতো যে দেশে মন্ত্রীর গাড়িতে পাওয়া যায় নিষিদ্ধ জিনিস, এমপিরছেলে রাস্তায় জ্যাম দেখে এলোপাতারি গুলি করে মানুষ মারে, মন্ত্রীর ছেলের মাদকের ব্যবসা, নিরাপত্তার নামে তল্লাসি করার সময় পুলিশ যেখানে পকেটে গাঁজা/ইয়াবা ঢুয়ে মামলার ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি করে, সেখানে কতটুকু ভালো-খারাপ বুঝতে কষ্ট হবার কথা নয়৷''

অন্যদিকে পাঠক সৈকত সমুদ্র মনে করছেন জীবিকার প্রয়োজনে হয়তো কিছু মানুষ জঙ্গি হওয়ার মতো অপরাধমূলক কাজে জড়িত হয় ৷

তবে হ্যাঁ, জঙ্গি দমন করা খুবই জরুরি আর তা করতে হলে ‘অবৈধ সরকারকে' উচ্ছেদ করা নাকি অপরিহার্য- এমন কথা লিখেছেন পাঠক হাজি কাওসার মিঞা৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা : আশীষ চক্রবর্ত্তী

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়