রাজধানী ঢাকার গাছগুলো মরে যাচ্ছে | বিশ্ব | DW | 12.11.2010
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

রাজধানী ঢাকার গাছগুলো মরে যাচ্ছে

বিরোধী নেত্রী খালেদা জিয়ার ক্যান্টনমেন্টের বাসভবন নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের বক্তব্য আজ সব পত্রিকাতে জায়গা পেয়েছে৷ অন্যদিকে দেশের সাড়ে চার হাজার ইউনিয়নে নতুন করে তথ্য সেবা কেন্দ্র চালুর সাফল্যের খবরটিও বেশ গুরুত্ব পেয়েছে৷

Dhaka, Bangladesch

ঢাকার সবুজ দিন দিন কমছেই

সংবিধান পুনর্মুদ্রণ চূড়ান্ত

শুক্রবার পত্রিকাগুলোর মূল শিরোনামে বেশ বৈচিত্র দেখা গিয়েছে৷ যেমন নয়া দিগন্ত সংবিধান নিয়ে তাদের একটি বিশেষ প্রতিবেদনকে মূল খবর করেছে৷ শিরোনাম সংবিধান পুনর্মুদ্রণ চূড়ান্ত৷ প্রথম আলোর মূল শিরোনাম রাত হলেই ছিনতাই৷ জামালপুরের মেলান্দহে আসামিকে ছাড়াতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে জনতা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে, সেটি আজ ইত্তেফাকের প্রধান খবর৷ বিএনপি বন্দী গুলশানে, কালের কন্ঠের প্রধান শিরোনাম এটি৷ যুগান্তরের শিরোনাম ঢাবিতে ছাত্রলীগ বেপরোয়া৷

ছিনতাইয়ের শহর এখন ঢাকা

প্রথম আলোর মূল খবরটিতে বলা হয়েছে রাজধানী ঢাকার ৪৪৪ টি জায়গায় ছিনতাই হয়৷ তবে বেশি ছিনতাই হয় এমন জায়গার সংখ্যা প্রায় আড়াইশ৷ এই তথ্য পুলিশের কাছ থেকেই পাওয়া৷ অথচ গত ১৫ দিনে ছিনতাইয়ের মামলা হয়েছে মাত্র ২১ টি৷ অন্যদিকে একই সময়ে ছিনতাইকারীদের হাতে আহত হয়ে অন্তত ৬০ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন৷ প্রতিবেদনটি থেকে জানা গেছে, ভুক্তভোগীরা আরও ভোগান্তির ভয়েই মূলত পুলিশের কাছে যান না৷ কারণ যারা এর আগে মামলা করেছেন তাদের অভিজ্ঞতা খুব একটা ভালো না৷ আবার পুলিশ ছিনতাইয়ের মামলা চুরি, দস্যুতা হিসেবে লিপিবদ্ধ করে৷ এর কারণ ছিনতাইয়ের মামলার বিচার হয় দ্রুত বিচার আইনে৷ এবং তদন্ত প্রতিবেদন সাতদিনের মধ্যে পুলিশকে জমা দিতে হয়৷ এসব কারণেই হয়তো পুলিশ ছিনতাই মামলা নিতে চায় না৷

ঢাকার গাছগুলো মরে যাচ্ছে

ঢাকা শহরের অনেক বড় বড় গাছ মারা যাচ্ছে৷ এটি ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের প্রধান খবর৷ প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, গত চার বছরে রাজধানীর সাড়ে পাঁচশর বেশি গাছ মারা গেছে৷ এর মধ্যে কেবল বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাতেই প্রায় পাঁচশ গাছ মারা গেছে৷ এমনিতেই ঢাকা শহরে সবুজের দেখা তেমন একটা মেলে না৷ তার ওপর এভাবে গাছ মরে যাওয়ায় সবুজের পরিমাণ আরও কমে আসছে৷ কিন্তু এসব গাছ কেন মারা যাচ্ছে সেটিও বলতে পারছেন না উদ্ভিদ ও মৃত্তিকা বিজ্ঞানীরা৷

গ্রন্থনা: রিয়াজুল ইসলাম

সম্পাদনা: ফাহমিদা সুলতানা

বিজ্ঞাপন