যৌন নিপীড়নের বিষয়ে নীরব ছিলেন পোপ ফ্রান্সিস! | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 27.08.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

আয়ারল্যান্ড

যৌন নিপীড়নের বিষয়ে নীরব ছিলেন পোপ ফ্রান্সিস!

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ক্যাথলিক চার্চে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের ফলে কোণঠাসা পোপ ফ্রান্সিস আয়ারল্যান্ডে ক্ষোভ প্রশমনের চেষ্টা চালিয়েছেন৷ এদিকে তাঁর বিরুদ্ধে নীরবতার মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে৷

অনেক বিষয় সম্পর্কে ‘উদার' মনোভাব নিয়ে পোপ ফ্রান্সিস কট্টর রক্ষণশীল ক্যাথলিকদের বিরাগভাজন হয়েছেন৷ ক্যাথলিক চার্চের অতীত ও বর্তমান অনেক কার্যকলাপেরও সমালোচনা করেছেন তিনি৷ এমনকি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ক্যাথলিক যাজকদের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন সম্পর্কেও মুখ খুলেছেন পোপ৷ এমন আচরণের নিন্দা ও সমালোচনা করেছেন৷ যাঁরা এমন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তাঁদের কাছে পোপ ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন৷ কিন্তু এবার তিনি নিজেই সমালোচনার শিকার হলেন৷

ভ্যাটিকান সিটির এক প্রাক্তন কর্মকর্তা তাঁর বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ করেছেন৷ আর্চবিশপ কার্লো মারিয়া ভিগানো দাবি করেছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এক ক্যাথলিক যাজক যৌন নির্যাতন করে চলেছেন, এমন ঘটনা জানা সত্ত্বেও পোপ ফ্রান্সিস নাকি বছরের পর বছর নীরব থেকে ‘সমকামিতা' বরদাস্ত করে এসেছেন৷ উল্লেখ্য, অভিযুক্ত কার্ডিনাল থিওডোর ম্যাককারিক গত মাসেই পদত্যাগ করেছেন৷ আর্চবিশপ ভিগানো এমনকি বলেন যে, মাফিয়া জগতের মতো ক্যাথলিক গির্জায়ও নীরবতার ষড়যন্ত্র চলছে৷ পোপ এ ক্ষেত্রে বার বার ‘জিরো টলারেন্স' এবং সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার ডাক দেওয়া সত্ত্বেও নিজে ভুলত্রুটি স্বীকার করছেন না বলে মনে করেন তিনি৷ এ জন্য তিনি পোপের পদত্যাগেরও দাবি তুলেছেন৷

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্যাথলিক গির্জা চরম সংকটে পড়েছে৷ প্রায় দুই সপ্তাহ আগে পেনসিলভানিয়া রাজ্যে চার্চের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের ভিত্তিতে সবচেয়ে বড় তদন্তের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে৷ শুধু একটি রাজ্যেই গত ৭০ বছরে ৩০১ জন যাজক নাবালকদের উপর যৌন নিপীড়ন চালিয়েছেন বলে সেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে৷ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, চিলি ও অস্ট্রেলিয়ায় সম্প্রতি একের পর এক অভিযোগের ফলে ক্যাথলিক চার্চের বিশ্বাসযোগ্যতার মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে৷ আয়ারল্যান্ড সফরেও পোপ সেই ক্ষোভ প্রশমনের চেষ্টা করেছেন৷ জোরালো প্রতিবাদ-বিক্ষোভের মাঝে তিনি সেখানে এক জনসভায় ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন৷ আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী লিও ভারাদকর সরাসরি পোপের উদ্দেশ্যে নিপীড়নের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবার ডাক দিয়েছেন৷

পোপ ফ্রান্সিস নিজে এখনো এই অভিযোগ সম্পর্কে সরাসরি কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি৷ আয়ারল্যান্ড সফর শেষে দেশে ফেরার সময়ে সাংবাদিকরা বিমানে তাঁকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করেন৷ পোপ ফ্রান্সিস সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে আন্তরিকভাবে অভিযোগপত্রটি ভালো করে পড়ে দেখে নিজেরাই তা বিচার করার অনুরোধ করেন৷

এসবি/এসিবি (রয়টার্স, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন