যৌন কেলেঙ্কারি: সুইডিশ অ্যাকাডেমি প্রধানের পদত্যাগ | বিশ্ব | DW | 13.04.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

যৌন কেলেঙ্কারি: সুইডিশ অ্যাকাডেমি প্রধানের পদত্যাগ

‘অ্যাকাডেমিই চেয়েছিল যেন আমি স্থায়ী সচিবে হিসেবের পদ থেকে সরে দাঁড়াই৷ আমি অনতিবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত নিই৷ এ ঘটনা এরইমধ্যে নোবেল পুরস্কারকে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং এটি খুব বড় একটি সমস্যা৷’

যৌন কেলেঙ্কারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে পদত্যাগ করেছেন সুইডিশ অ্যাকাডেমির প্রধান সারা দানিয়ুস৷ এর আগে একই ঘটনায় সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারের নাম ঘোষণাকারী এ সংস্থাটির ১৮ সদস্যের মধ্যে তিনজন সরে দাঁড়ান৷

বৃহস্পতিবার পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়া দানিয়ুস কিংবা অ্যাকাডেমির কেউ অবশ্য ঐ যৌন কেলেঙ্কারি সাথে সরাসরি যুক্ত নন৷ যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা আন্দোলন #মি টু ক্যাম্পেইনের প্রভাবে গত নভেম্বরে সুইডিশ অ্যাকাডেমির আরেক সদস্য ক্যাটারিনা ফ্রস্টেনসনের স্বামী জ্যাঁ ক্লদ আরনেলের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ আনেন ১৮ নারী৷

যৌন অসদাচরণের অভিযোগ আসার পরপরই নভেম্বরে সুইডিশ অ্যাকাডেমি স্টকহোমে আরনেলের সাংস্কৃতিক ক্লাবে অর্থ সহায়তা বন্ধসহ সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা দেয়৷

এ ঘটনায় অ্যাকাডেমি নিজেই ‘স্বার্থের দ্বন্দ্ব’ বিষয়ক নিজস্ব নিয়মকানুন ভেঙেছিল বলেও সন্দেহ করা হচ্ছে৷ তা খতিয়ে দেখতে সেই সময়ই একটি আইন সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল৷

ওই তদন্তের বিষয়েও পরে কিছু জানায়নি নোবেল সাহিত্য পুরস্কার ঘোষণাকারী এ প্রতিষ্ঠানটি৷

তবে এর প্রেক্ষিতে গত সপ্তাহে ফ্রস্টেনসনকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার বিপক্ষে ভোট দেয় অ্যাকাডেমি৷ সুইডিশ মিডিয়াকে উদ্ধৃত করে বিবিসি জানায়, এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৮ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি থেকে তিন সদস্য ক্লাস অস্টেরগ্রেন, কোজেল ইসেপমার্ক এবং পিটার ইংল্যান্ড সরে দাঁড়ান৷

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সুইডিশ অ্যাকাডেমি থেকে কেউ পদত্যাগ করতে পারেন না, তবে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকতে পারেন৷ বৃহস্পতিবার পদত্যাগ করেন ফ্রস্টেনসন৷ আর তার কিছুক্ষণ পরই পদত্যাগের ঘোষণা দেন দানিয়ুস৷ মূলত ঘটনা সামলাতে না পারার দায়েই তিনি পদত্যাগ করলেন৷  

এদিকে যাকে নিয়ে এত কাণ্ড তার আইনজীবী রয়টার্সের কাছে এক ই-মেলে জানিয়েছেন, জ্যাঁ ক্লদ আরনেল তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন৷

এইচআই/এসিবি (রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন