যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে যুদ্ধ আসন্ন নয়: মার্কিন কর্মকর্তা | বিশ্ব | DW | 14.08.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

উত্তর কোরিয়া-যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে যুদ্ধ আসন্ন নয়: মার্কিন কর্মকর্তা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপ নেয়ায় তাঁর প্রশংসা করেছেন গুয়ামের গভর্নর৷ তবে মার্কিন নিরাপত্তা বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে যুদ্ধ আসন্ন নয়৷

সউলের টিভিতে যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনা সংক্রান্ত সংবাদ পরিবেশন

সউলের টিভিতে যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনা সংক্রান্ত সংবাদ পরিবেশন

গুয়ামের গভর্নর বলছেন, উত্তর কোরিয়া এই ছোট্ট দ্বীপে চারটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরিকল্পনার ব্যাপারে ঘোষণা দিয়েছে এটাকে তুচ্ছ করে দেখার মতো কোনো বিষয় নয়৷ এটা একটা বড় ধরনের হুঁশিয়ারি৷ তাই ট্রাম্প সেটাকে শক্ত হাতে মোকাবিলার যেসব পদক্ষেপ নিচ্ছেন তা প্রশংসনীয়৷ এটা নিয়ে সমালোচনার কিছু নেই৷

সংবাদ সংস্থা এএফপিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে গভর্নর এডি ক্যালভো উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনকে ‘মাস্তান' হিসেবে উল্লেখ করেছেন, বলছেন তিনি এমন একজন মাস্তান যার কাছে শক্তিশালী অস্ত্র আছে৷ তাই এই মাস্তানকে শক্ত হাতে মোকাবিলা করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি৷

শনিবার উত্তর কোরিয়ার একটি সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যে ধরনের যুদ্ধ চায় সেই ধরনের যুদ্ধের প্রয়োজনীয় সেনাবাহিনী তাদের আছে৷ ট্রাম্প বরাবরই নিজের দেশের সামরিক শক্তিকে সবচেয়ে শক্তিশালী বলে উল্লেখ করে আসছেন৷ ক্যালভো আরও বলেন, উত্তর কোরিয়া গুয়ামকে হুমকি দিচ্ছে, কেননা এখানে দু'টি বড় মার্কিন সেনা ঘাঁটি রয়েছে, আছে ৬ হাজার মার্কিন সেনা৷ ২০১৩ সালের চেয়ে যা তিনগুণ৷

যুদ্ধ কি আসন্ন?

রবিবার দু'টি আলাদা সাক্ষাৎকারে সিআইএ পরিচালক, সেনা প্রধান, নিরাপত্তা উপদেষ্টা আবারও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে সংঘাত এখনো এড়ানো সম্ভব৷ এক সপ্তাহ আগে যুদ্ধ নিয়ে কোন পরিকল্পনা ছিল না আমাদের৷ তবে প্রয়োজন হলে আমরা সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত বলে জানান সেনা প্রধান৷

চীনের নিষেধাজ্ঞা

এদিকে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা মেনে মঙ্গলবার থেকে উত্তর কোরিয়া থেকে লোহা, লোহার আকরিক এবং সামুদ্রিক খাবার আমদানি বন্ধ করবে চীন৷ সোমবার একথা জানিয়েছে দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রী৷ উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচি বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন করতেই চীনের এ উদ্যোগ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা৷ ৬ আগস্ট জাতিসংঘ সবশেষ উত্তর কোরিয়ার উপর কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, যেটায় সমর্থন দেয় চীন৷ এর আগ পর্যন্ত চীন উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচি বন্ধে কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করে আসছিল যুক্তরাষ্ট্র৷

ওদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সংক্রান্ত একটা আদেশ জারি করতে পারেন আজ৷ ট্রাম্প মার্কিন প্রশাসনের বাণিজ্য প্রতিনিধি রবার্ট লাইটিজারের কাছে এ ব্যাপারে মতামত চাইবেন৷

পরমাণু কার্যক্রমের কারণে জাতিসংঘ উত্তর কোরিয়ার উপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারির পর দেশটি ওয়াশিংটনকে ‘উচিত শিক্ষা' দেয়ার হুমকি দেয়৷ এর প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, উত্তর কোরিয়া নতুন করে অ্যামেরিকার বিরুদ্ধে আরও হুমকি দিলে সে দেশের উপর এমন মারাত্মক হামলা চালানো হবে, যা বিশ্বে কেউ কখনো দেখেনি৷ ট্রাম্পের এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় উত্তর কোরিয়া গুয়ামের উপর হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে৷ আগস্টের মাঝামাঝিতে গুয়ামের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি দেয় তারা৷ যা নিয়ে ওই অঞ্চলে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে৷

এপিবি/ডিজি (এপি, এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন