1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান
লন্ডনে বিগ বেনের পাশে নজরদারি ক্যামেরা। এবার এইসব চীনা ক্যামেরা আর লাগানো হবে না।
লন্ডনে বিগ বেনের পাশে নজরদারি ক্যামেরা। এবার এইসব চীনা ক্যামেরা আর লাগানো হবে না।ছবি: Jan Haas/picture alliance
প্রযুক্তিযুক্তরাজ্য

যুক্তরাজ্যে সরকারি ভবনে চীনা ক্যামেরা নয়

২৫ নভেম্বর ২০২২

সব বিভাগকে জানিয়ে দিলো সরকার, সরকারি ভবনে আর নতুন করে চীনা ক্যামেরা বসানো হবে না।

https://p.dw.com/p/4K2HI

যুক্তরাজ্যের অধিকাংশ সরকারি ভবনে দুইটি চীনা কোম্পানির সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো আছে। হিকভিশন এবং দাহুয়া। কিন্তু দেশের নিরাপত্তা ও চীনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টির জন্য এবার সিদ্ধান্ত বদলানো হলো।

সরকারের তরফ থেকে সব বিভাগকে বলে দেয়া হয়েছে, তারা যেন আর চীনা কোম্পানির ক্যামেরা না বসায়। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ ভবনগুলিতে নিরাপত্তার ঝুঁকি আছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ব্রিটেনের নজরদারি ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ ও ঝুঁকি নিয়ে অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

ক্যাবিনেট অফিস মন্ত্রী অলিবার ডাউডেন পার্লামেন্টে একটি প্রশ্নের লিখিত জবাবে বলেছেন, যুক্তরাজ্যের সামনে নিরাপত্তাজনিত কী বিপদ আছে সেটা প্রথমে খতিয়ে দেখা হয়। তারপর এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তিনি জানিয়েছেন, মন্ত্রীরা এখন পুরনো ক্যামেরা বদলে নিতে পারেন, সেগুলি আপগ্রেড করার কোনো দরকার নেই।

দুইটি কোম্পানি নজরে

গত জুলাইতে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সংক্রান্ত গোষ্ঠী  বিগ ব্রাদার ওয়াচ জানিয়েছিল, ব্রিটিশ সরকার যে সব নজরদারি ক্যামেরা সরকারি ভবনে লাগিয়েছে, তা দুইটি চীনা কোম্পানি হিকভিশন ও দাহুয়ার তৈরি।

এরপরই ৬৭ জন পার্লামেন্ট সদস্য দুইটি চীনা কোম্পানির থেকে ক্যামেরা কেনা বন্ধ করার দাবি তোলেন। এই দুই চীনা কোম্পানি আগে সরকারি ছিল। তারা অবশ্য শিনজিয়াংয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি তুলে এই ব্যবস্থা নিতে বলেন। 

ডাউডেন বলেছেন, চীনের আইনানুসারে সরকার এই দুইটি সংস্থাকে যাবতীয় তথ্য জানাতে বাধ্য করতে পারে।

হিকভিশন অবশ্য দাবি করেছে, এই সব অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা। সংস্থার তরফ থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, হিকভিশন কোনো তথ্যই তৃতীয় পক্ষকে দিতে পারে না। তাদের কাছে যুক্তরাজ্যের ক্যামেরাগুলির ডেটা বেস নেই।  আর এর কোনো ক্লাউড স্টোরেজও করা হয় না।

জিএইচ/এসজি (রয়টার্স, এএফপি)

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডেয়ার লাইয়েন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদোমির জেলেনস্কি৷

ইউক্রেনের ইউরোপীয় স্বপ্ন কতটা বাস্তব?

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ
প্রথম পাতায় যান