যাত্রীবিমানে দু’টি মিসাইল হামলার কথা ইরানের স্বীকার | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 21.01.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইরান

যাত্রীবিমানে দু’টি মিসাইল হামলার কথা ইরানের স্বীকার

ইউক্রেন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের বিমানটিতে দু’টি মিসাইল হামলার কথা নিশ্চিত করেছে ইরান৷ এদিকে, এই ঘটনার প্রতিবাদে ইরানের বিখ্যাত ফজর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন বয়কট করেছেন শিল্পীরা৷

ইউক্রেনের বিমানটিতে ১৭৬ জন যাত্রী ও ক্রু ছিলেন৷ গত ৮ জানুয়ারি মিসাইল হামলায় সবাই মারা যান৷ 
ঘটনা নিয়ে এই প্রথম কোনো তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ইরান৷ ইরানের বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের তদন্ত কমিটি মিসাইল হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে৷ প্রাথমিক এই তদন্ত রিপোর্টে দেখা গেছে, পিএস৭৫২ ফ্লাইটটিতে দু’টি টর-এম১ মিসাইল আঘাত হেনেছিল৷ 

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মিসাইল আঘাত করা ও এরপর বিমান কেমন করে দুর্ঘটনায় পড়ল, তার বিস্তারিত নিয়ে এখনো তদন্তে চলছে৷ এছাড়া কারা এই হামলা করেছে সেগুলোও খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷ 

টর-এম১ মিসাইল স্বল্প পাল্লার৷ এটি মাটি থেকে আকাশে ছুঁড়ে মারার মিসাইল৷ সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন এই মিসাইলের নকশা করেছিল বিমান বা ক্রুজ মিসাইলে হামলা করার জন্য৷ ২০১৭ সালে সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা খরচ করে রাশিয়ার কাছ থেকে ২৯টি টর-এম১ মিসাইল ইউনিট কেনে ইরান৷ 

বিমান দুর্ঘটনার পর ইরান প্রথমে দাবি করেছিল ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়ায় দুর্ঘটনাটি ঘটে৷ কিন্তু মিসাইল হামলার একটি ভিডিও প্রকাশ হয়ে পড়লে এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ক্যানাডা হামলা করা হয়েছে দাবি করলে, তিনদিন পর ভূলবশতঃ এই হামলা হয়েছে বলে দাবি করে ইরান৷ 


এদিকে, এই হামলাটিকে প্রথমে সরকার ভিন্নদিকে ঘুরিয়ে দিতে চাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে ইরানের জনগণের ভেতরে৷ সবশেষ চলচ্চিত্র শিল্পীরা সরকারের সমালোচনায় ইরানের ফজর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বয়কটের ঘোষণা দেন৷

এতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল করে কর্তৃপক্ষ৷ ১ ফেব্রুয়ারি হবার কথা এই অনুষ্ঠান৷ উৎসব কর্তৃপক্ষ পরে জানায়, তারা দিনটিকে শোকের দিন হিসেবে উৎযাপন করবে৷ 

জেডএ/কেএম (এএফপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন