যাজক বিতর্ক ‘সমাধানে′ রাজি তুরস্ক | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 03.08.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

তুরস্ক

যাজক বিতর্ক ‘সমাধানে' রাজি তুরস্ক

তুরস্কে আটক মার্কিন যাজক অ্যান্ড্রু ব্রুনসনের বিষয়টির কূটনৈতিক সমাধানে একমত যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্ক৷ অবশ্য মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুঁশিয়ারিও দিয়ে রেখেছেন, দ্রুত যাজককে ছেড়ে না দেয়া হলে তুরস্ককে কঠোর পরিণাম ভোগ করতে হবে৷

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসোগলুর সাথে শুক্রবার সিঙ্গাপুরে একটি আঞ্চলিক সম্মেলনের সাইডলাইনে বৈঠকে বসেন পম্পেও৷ সেখানে তাঁরা যাজকের ইস্যুটি দ্বিপাক্ষিকভাবে মোকাবেলার বিষয়ে একমত হন৷

২০১৬ সালের ডিসেম্বরে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়েপ এর্দোয়ানের বিরুদ্ধে ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের পর গ্রেপ্তার করা হয় ৫০ বছর বয়সি মার্কিন যাজক ব্রুনসনকে৷ তাঁর বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসী সংগঠনকে সহায়তা' এবং ‘গুপ্তচরবৃত্তির' অভিযোগ আনা হয়৷

অ্যান্ড্রু ব্রুনসন এখন তুরস্কে গৃহবন্দি আছেন৷ বিচারে দোষী প্রমাণিত হলে তাঁকে ৩৫ বছর পর্যন্ত কারাভোগ করতে হতে পারে৷

যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে৷ এ সব অভিযোগের সপক্ষে কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ নেই বলেও মনে করে যুক্তরাষ্ট্র৷

১ আগস্ট তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিচারমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র৷ দু'জনেই এর্দোয়ানের ঘনিষ্ট বলে পরিচিত৷ যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনা থেকে আসা এই যাজক ২৩ বছর ধরে তুরস্কে বাস করছেন এবং ইজমির রিসারেকশন চার্চ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন৷

‘আসলেই কি হয়েছে মতৈক্য?'

পম্পেও তাঁর সাথে সিঙ্গাপুরে আসা মার্কিন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘তুরস্ককে মনে করিয়ে দেয়া হয়েছে, যাজককে ফিরিয়ে দেয়ার বিষয়টি বেশি গেরি হয়ে যাচ্ছে'৷

দুই তুর্কি মন্ত্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘‘তাঁদের বোঝানো হয়েছে এই ব্যাপারটিতে আমরা কতোটা সিরিয়াস৷ তুরস্কের সাথে আমাদের বিরোধের অন্যতম ইস্যু এটি৷''

পম্পেও বলেন,  ‘‘সোজা কথা, ব্রুনসন এবং তুরস্ক সরকারের আটকে রাখা অন্যান্য মার্কিন নাগরিকের দ্রুত দেশে ফেরা নিশ্চিত করতে হবে৷ অনেকদিন ধরে তাঁদের আটকে রাখা হয়েছে৷ তাঁরা নির্দোষ৷''

তবে চাভুসোগলু অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি তেমন একটা পাত্তা দিচ্ছেন না৷ পম্পেওর সাথে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের তিনি জানান, ‘‘আমরা শুরু থেকেই বলে আসছি, হুমকি-ধামকি কিংবা অবরোধের ভয় দেখিয়ে কোনো কাজ হবে না৷''

এডিকে/ডিজি (রয়টার্স, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন