ম্যার্কেল-লুকাশেঙ্কো কথা, বরফ গলার ইঙ্গিত | বিশ্ব | DW | 18.11.2021

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বেলারুশ

ম্যার্কেল-লুকাশেঙ্কো কথা, বরফ গলার ইঙ্গিত

চলতি সপ্তাহে দুইবার বেলারুশের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা হয়েছে জার্মান চ্যান্সেলরের। রফাসূত্র মেলার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

পোল্যান্ড-বেলারুশ সীমান্ত সংকটের জন্য বেলারুশকেই দায়ী করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। বেলারুশের উপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। ইইউ জানিয়েছে, শরণার্থী সংকট তৈরি করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের উপর 'হাইব্রিড আক্রমণ' চালানোর চেষ্টা করছে বেলারুশ। এই পরিস্থিতিতে আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সঙ্গে লুকেশেঙ্কোর ফোনে কথা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ম্যার্কেলের মুখপাত্র জানিয়েছেন, একবার নয়, চলতি সপ্তাহে দুইবার লুকাশেঙ্কোর সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে তার। গত সোমবার দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা হয়। ম্যার্কেলের মুখপাত্রের দাবি, লুকাশেঙ্কো আলোচনায় রাজি। ইইউ এবং বেলারুশের মধ্যে নতুন করে বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরিতেও তিনি উদ্যোগী।

দুই রাষ্ট্রপ্রধানের কথা হওয়ার পরেই দুই দেশের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা আলোচনা শুরু করেছেন বলে জানা গেছে। তবে ইইউ এখনো বেলারুশের প্রতি কঠোর অবস্থান নিয়ে রেখেছে। গত সোমবারেই ব্রাসেলসে বৈঠকে বসেছিলেন ইইউ দেশগুলির পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। সেখানে বেলারুশের উপর আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার প্রস্তাব নেওয়া হয়। লুকাশেঙ্কো-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারির আলোচনাও হয়। ইইউ জানিয়েছে, শরণার্থীদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছে বেলারুশ। পোল্যান্ড সীমান্তে যাওয়ার জন্য তাদের গাড়ির ব্যবস্থা করে দিয়েছে। যেভাবে পোল্যান্ড সীমান্তে শরণার্থী সংকট তৈরি হয়েছে, তার জন্য সম্পূর্ণ দায়ী বেলারুশ।

ইইউ যখন এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, তখনই ব্যাক চ্যানেলে কথা শুরু হয় জার্মানি এবং বেলারুশের। ম্যার্কেলের মুখপাত্র জানিয়েছেন, শরণার্থীদের কাছে যাতে খাবার পৌঁছায়, ন্যূনতম প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পৌঁছায় তার ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে বেলারুশকে। মানবাধিকার সংগঠনগুলি যাতে কাজ করতে পারে, তার দিকেও নজর রাখতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল পোল্যান্ড সীমান্তে। পোল্যান্ডের নিরাপত্তারক্ষীরা জলকামান চালিয়ে শরণার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে। চালানো হয় কাঁদানে গ্যাসও। তবে বুধবার সীমান্ত অপেক্ষাকৃত শান্ত ছিল বলে তারা জানিয়েছে।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এপি, এএফপি)

সংশ্লিষ্ট বিষয়