ম্যার্কেলের বদলে ‘মিনি-ম্যার্কেল′, নাকি ‘ট্রাম্প লাইট′? | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 07.12.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

ম্যার্কেলের বদলে ‘মিনি-ম্যার্কেল', নাকি ‘ট্রাম্প লাইট'?

জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল গত অক্টোবরে জানিয়েছিলেন, তিনি আর তাঁর দল সিডিইউ-র প্রধানের পদের জন্য নির্বাচন করবেন না৷ তাঁর বদলে কে দলের প্রধান হচ্ছেন, জানা যাবে আজ শুক্রবার৷

default

জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের বদলে তাঁর দল সিডিইউ-র প্রধান হচ্ছেন কে?

হামবুর্গে সিডিইউর প্রতিনিধিরা ভোটের মাধ্যমে দলের প্রধান নির্বাচন করবেন৷ সম্ভাব্য প্রধান হিসেবে তিন জনের নাম আলোচনায় এসেছে৷ তাঁরা হলেন, আনেগ্রেট ক্রাম্প-কারেনবাউয়ার, ফ্রিডরিশ ম্যার্ৎস এবং ইয়েন্স স্পান৷

জার্মানির সরকারি প্রচারমাধ্যম এআরডি'র সবশেষ জরিপ বলছে, ৪৫ শতাংশ ভোটার সিডিইউর প্রধান হিসেবে কারেনবাউয়ারকে চান৷ তিনি বর্তমানে দলের সাধারণ সম্পাদক৷ ম্যার্কেল তাঁর উত্তরসূরি বিবেচনা করে কারেনবাউয়ারকে গত ফেব্রুয়ারিতে দলের এই গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়ে আসেন বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন৷ ফলে কারেনবাউয়ার নির্বাচিত হলে দলে ম্যার্কেলের নীতিই বহাল থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে৷ তাই মাঝেমধ্যে কারেনবাউয়ারকে ‘মিনি-ম্যার্কেল' হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে৷

এআরডির জরিপে দ্বিতীয় স্থানে আছেন ফ্রিডরিশ ম্যার্ৎস৷ প্রায় ৩০ শতাংশ ভোটার তাঁকে ম্যার্কেলের উত্তরসূরি হিসেবে পছন্দ করেছেন৷ তবে ম্যার্কেলের শরণার্থী নীতির সমর্থক নন তিনি৷ বরং ম্যার্ৎসের অভিবাসনবিরোধী বক্তব্যের কারণে জার্মানির জোট সরকারের অংশ এসপিডি তাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে মেলাতে গিয়ে ‘ট্রাম্প লাইট' হিসেবে উল্লেখ করেছে৷ এমনকি জার্মানির অভিবাসনরোধী দল এএফডি ম্যার্ৎসের বিরুদ্ধে তাদের নীতি চুরি করার অভিযোগ এনেছে৷

Deutschland CDU-Regionalkonferenz Düsseldorf l Merz, Kramp-Karrenbauer und Spahn

ফ্রিডরিশ ম্যার্ৎস (বাঁয়ে), আনেগ্রেট ক্রাম্প-কারেনবাউয়ার এবং ইয়েন্স স্পান (ডানে)

উল্লেখ্য, ২০০২ সালে ম্যার্কেল ম্যার্ৎসকে সিডিইউ সংসদীয় গোষ্ঠীর প্রধানের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়ার পর তিনি ২০০৯ সালে রাজনীতির মঞ্চ থেকে বিদায় নিয়েছিলেন৷ এরপর এতদিন তিনি বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন৷ গত অক্টোবরে ম্যার্কেলের ঘোষণার পর তিনি আবার রাজনীতিতে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেন৷

সম্ভাব্য তিন প্রার্থীর মধ্যে এআরডির জরিপে সবচেয়ে কম সমর্থন পেয়েছেন বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইয়েন্স স্পান৷ তাঁর বয়স মাত্র ৩৮ হওয়ায় তাঁকে এই পদের জন্য এখনই যোগ্য মনে করছেন না অনেকে৷ তিনিও ম্যার্কেলের সমালোচক হিসেবে পরিচিত৷

এআরডির জরিপে সব দলের ভোটারদের মতের প্রতিফলন দেখা গেছে৷ তবে শুধু সিডিইউর ভোটার ও প্রতিনিধিরা বলছেন, কারেনবাউয়ার আর ম্যার্ৎসের মধ্যে ব্যবধান খুব কম৷ সেক্ষেত্রে প্রথম দফা ভোটে কেউ যদি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে প্রধান নির্বাচিত হতে না পারেন, তাহলে মূল দুই প্রার্থীর মধ্যে রান-অফের প্রয়োজন দেখা দেবে৷ সেইসময় স্পান সমর্থকদের ভোট ম্যার্ৎসের পক্ষে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন৷

জেফারসন চেজ/জেডএইচ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন