ম্যার্কেলের প্রস্থানের পর দলের কাণ্ডারী খোঁজার পালা | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 13.01.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

ম্যার্কেলের প্রস্থানের পর দলের কাণ্ডারী খোঁজার পালা

জার্মানির আগামী সাধারণ নির্বাচনের আগে সিডিইউ দলের নতুন শীর্ষ নেতা বাছাই করা হবে শনিবার৷ আগামী চ্যান্সেলর হিসেবে ম্যার্কেলের সম্ভাব্য উত্তরসূরী হবার দৌড়ে রয়েছেন তিন নেতা৷

CDU Krise Richtungsstreit Symbobild

জার্মানির ক্ষমতাসীন দল সিডিইউ‘র শীর্ষ নেতা বাছাই হবে শনিবার৷

করোনা সংকটের কারণে দুই-দুইবার বিলম্ব সত্ত্বেও আগামী শনিবার জার্মানির সিডিইউ দলকে আঙ্গেলা ম্যার্কেলের উত্তরসূরি খোঁজার সিদ্ধান্ত নিতে হবে৷ সশরীরে উপস্থিত থেকে দলীয় সম্মেলন আয়োজন এখনো সম্ভব না হওয়ায় শুক্র ও শনিবারের ডিজিটাল জমায়েতে দলের আগামী শীর্ষ নেতা বেছে নিতে হবে৷ কোনো প্রার্থীই সরাসরি কমপক্ষে ৫০ শতাংশ সমর্থন না পেলে দ্বিতীয় রাউন্ডে ‘রান অফ' ভোটের মাধ্যমে দুই সেরা প্রার্থীর মধ্যে একজনকে বেছে নেওয়া হবে৷ আর নয় মাস পর আগামী সাধারণ নির্বাচনে সিডিইউ দল আবার সবচেয়ে বেশি আসন পেলে দলের নতুন নেতা দেশের আগামী চ্যান্সেলর হতে পারেন৷ 

দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছর ধরে ক্ষমতার শীর্ষে থাকার পর চ্যান্সেলর হিসেবে অবসর নিতে চলেছেন আঙ্গেলা ম্যার্কেল৷ তাঁর শূন্যস্থান পূরণের জন্য যোগ্য প্রার্থী খোঁজা যথেষ্ট কঠিন কাজ৷ দলের যে তিন নেতা প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে এসেছেন, তাঁদের মধ্যে কেউই জনপ্রিয়তার বিচারে ম্যার্কেলের ধারেকাছে আসতে পারছেন না৷ ভোটাভুটির মাধ্যমে তাঁদের মধ্যে একজনকে বেছে নিতে হবে৷ নর্থরাইন ওয়েস্টফেলিয়া রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী আরমিন লাশেট, প্রাক্তন পরিবেশমন্ত্রী নরবার্ট রোটগেন এবং ‘বিক্ষুব্ধ' বলে পরিচিত নেতা ফ্রিডরিশ ম্যার্ৎস দলের হাল ধরতে পারেন৷

এই নির্বাচন শুধু সিডিইউ দলের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকছে না৷ দল ম্যার্কেলের মধ্যপন্থি নীতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে কিনা, নতুন নেতাকে সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে৷ ম্যার্কেলের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত লাশেট সভাপতি নির্বাচিত হলে দলকে সেই পথেই চালনা করবেন বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে৷ একের পর এক দলীয় নেতার খোলাখুলি সমর্থন পেয়ে লাশেট আপাতত ভালো অবস্থানে রয়েছেন৷ খোদ ম্যার্কেলও তাঁর যোগ্যতার সার্টিফিকেট দিয়েছেন৷ অন্যদিকে ম্যার্ৎস ‘ম্যার্কেলীয় ধারা' থেকে সরে আসার পক্ষে সওয়াল করছেন৷ সে ক্ষেত্রে দলের মধ্যে ঐক্যের বদলে বিভাজনের আশঙ্কা রয়েছে৷ দলকে আধুনিক যুগের আরও উপযোগী করে তোলার অঙ্গীকার করছেন রোটগেন৷

আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে না এলেও জনপ্রিয়তার বিচারে যথেষ্ট এগিয়ে রয়েছেন জার্মানির স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইয়েন্স স্পান৷ তিনি লাশেটের প্রতি সমর্থন জানালেও দলের মধ্যে অনেকে তাঁকেই সভাপতি হিসেবে দেখতে চাইছে৷ তিনি নিজেও সম্প্রতি সেই সমর্থনের মাত্রা যাচাই করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন বলে শোনা যাচ্ছে৷

সিডিইউ দল আগামী নির্বাচনে ভালো ফল করলেও চ্যান্সেলর পদে প্রার্থী দিতে পারবে কিনা, সে বিষয়েও সংশয় রয়েছে৷ বাভেরিয়ার সিএসইউ দলের নেতা ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ইউনিয়ন শিবিরের পক্ষ থেকে চ্যান্সেলর পদপ্রার্থী হতে পারেন, এমন সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না৷ করোনা সংকটের সময় তাঁর জোরালো নেতৃত্ব যথেষ্ট সম্ভ্রম আদায় করেছে৷

এসবি/কেএম (ডিপিএ, এএফপি)

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন