ম্যান্ডেলার জন্মদিনে চাই ৬৭ মিনিট | বিশ্ব | DW | 18.07.2010
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ম্যান্ডেলার জন্মদিনে চাই ৬৭ মিনিট

৯২ বছরে পা দিলেন জীবিত কিংবদন্তি নেলসন ম্যান্ডেলা৷ জাতিসংঘ দিনটিকে ‘নেলসন ম্যান্ডেলা আন্তর্জাতিক দিবস' হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে৷

Nelson Mandela

গোটা বিশ্ব শুভেচ্ছা জানাচ্ছে এই মহান নেতাকে

জীবনের ৬৭ বছর তিনি উৎসর্গ করেছিলেন রাজনীতির কাজে৷ তাঁর এই অবদান এনে দিয়েছে এমন যুগান্তকারী এক পরিবর্তন, যার প্রভাব গোটা বিশ্বেই ছড়িয়ে পড়েছে৷ দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততা সরিয়ে রেখে বিশ্বনেতা থেকে শুরু থেকে সাধারণ মানুষ রবিবার ৬৭ মিনিট জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করার অঙ্গীকার করেছেন৷ ২০০৮ সালে ম্যান্ডেলা গোটা বিশ্বের বয়স্ক ও বিচক্ষণ নেতাদের নিয়ে ‘দি এলডার্স' নামের এক গোষ্ঠী তৈরি করেছিলেন৷ সেই গোষ্ঠীর প্রধান ফিনল্যান্ডের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মার্তি আখতিসারি বলেন, ‘‘প্রেসিডেন্ট ম্যান্ডেলা জীবনের ৬৭ বছর উৎসর্গ করেছেন৷ এখন আমরা মাত্র ৬৭ মিনিট ব্যয় করে বিশ্বে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার চেষ্টা করতে পারি৷'' প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার বলেন, ‘‘নেলসন ম্যান্ডেলা আমাদের এক অসাধারণ সুযোগ ও দায়িত্ব দিয়েছেন, যাতে আমরা ম্যান্ডেলা দিবসে সক্রিয়ভাবে কোনো ইতিবাচক কাজ করতে পারি৷''

Nelson Mandela WM Finale WM Weltmeisterschaft Fußball Flash-Galerie

সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে কিছুক্ষণের জন্য উপস্থিত ছিলেন ম্যান্ডেলা

২০০৯ সালে জাতিসংঘ এই দিনটিকে ‘নেলসন ম্যান্ডেলা আন্তর্জাতিক দিবস' হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে৷ আজই প্রথম গোটা বিশ্বে এই দিবসটি পালিত হচ্ছে৷ যাঁকে ঘিরে এই উচ্ছ্বাস, তিনি নিজে দিনটি কীভাবে কাটাচ্ছেন? অশীতিপর এই মানুষটি জোহানেসবার্গে নিজের বাড়িতে আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গেই সময় কাটাচ্ছেন৷ তাঁর জন্মভিটের গ্রামের এলাকা থেকে ১০০ শিশু তাঁর সঙ্গে দেখা করতে এসেছে৷ ম্যান্ডেলার স্ত্রী গ্রাসা মাচেল বলেন, ‘‘ম্যান্ডেলা বেশ ভাল আছেন৷ তাঁর স্বাস্থ্যের অবস্থা ভালো৷ বয়স হচ্ছে, কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছেন বটে, কিন্তু শারীরিকভাবে খুব ভালো আছেন তিনি৷''

দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে কারাবাস করে ১৯৯০ সালে মুক্তি পেয়েই ম্যান্ডেলা বর্ণবাদী সরকারের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেন, যার ফলে জন্ম নেয় এক মুক্ত গণতান্ত্রিক দক্ষিণ আফ্রিকা৷ ঘৃণা, বিদ্বেষ, প্রতিশোধ স্পৃহা নয় – গণতান্ত্রিক আদর্শের প্রতি অটুট বিশ্বাস ও প্রখর দূরদৃষ্টির মাধ্যমে তিনি অতি অল্প সময়ের মধ্যেই সমাজে বিভাজন অনেকটাই দূর করতে সমর্থ হন৷

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিন্টন ম্যান্ডেলাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘‘তাঁর কাহিনীর মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে অসাধারণ শক্তি ও চারিত্রিক দৃঢ়তার দৃষ্টান্ত৷'' গোটা বিশ্বের সব স্তরের মানুষের কাছে তিনি নায়ক হয়ে উঠেছেন বলে মন্তব্য করেন ক্লিন্টন৷

প্রতিবেদন: সঞ্জীব বর্মন
সম্পাদনা: জাহিদুল হক

বিজ্ঞাপন