মোদী-হাসিনা বৈঠক ডিসেম্বরে, নদী কমিশনের বৈঠক শীঘ্রই | বিশ্ব | DW | 29.09.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

মোদী-হাসিনা বৈঠক ডিসেম্বরে, নদী কমিশনের বৈঠক শীঘ্রই

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ে ভার্চুয়াল বৈঠক হলো। সেখানেই নেওয়া হলো গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত।

অদূর ভবিষ্যতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দুইটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হতে চলেছে। নরেন্দ্র মোদী ও শেখ হাসিনার মধ্যে শীর্ষ বৈঠক হবে আগামী ডিসেম্বরে। তবে সেই বৈঠক হবে ভার্চুয়াল। আর দ্বিতীয় বৈঠকটি হবে দুই দেশের যৌথ নদী কমিশনের। গত দশ বছর ধরে নানা কারণে কমিশনের কোনো বৈঠক হয়নি। দিন ঘোষণা না করা হলেও ঠিক হয়েছে, খুব তাড়াতাড়ি এই বৈঠক হবে।

মঙ্গলবার ভারত ও বাংলাদেশের জয়েন্ট কনসালটেটিভ কমিশনের বৈঠক হয়। দুই দেশের বিদেশমন্ত্রী ও আধিকারিকরা ভার্চুয়াল বৈঠক করেন। সেখানেই ডিসেম্বরে শীর্ষ বৈঠক এবং দ্রুত যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক নিয়ে মতৈক্যে পৌঁছেছে দুই দেশ। আরো একটি বিষয়ে মতৈক্য হয়েছে। মুজিববর্ষে কলকাতা থেকে মুজিবনগর রাস্তা চালু হবে। গেদে, দর্শনা হয়ে ওই রাস্তা যাবে। মুজিবনগরেই স্বাধীন বাংলাদেশের সরকার প্রথম গঠিত হয়।

দুইটি বৈঠকই খুব গুরুত্বপূর্ণ। শীর্ষ বৈঠকের সব সময়ই একটা আলাদা গুরুত্ব আছে। কিন্তু যৌথ নদী কমিশনের বৈঠকও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এখানে দুই দেশের মধ্যে প্রবহমান নদীগুলির জলবন্টন নিয়ে কথা হবে। দুই দেশের মধ্যে ৫৪টা নদী আছে। বাংলাদেশ সবকটি নদীর জলবন্টন ব্যবস্থা চায়। তবে প্রথম পর্যায়ে মনু, মুহুরি, গোমতী, দুধকুমার, খোয়াই, ধরলা সহ ছয়টি নদীর অববাহিকার যৌথ ব্যবস্থাপনা হবে। ওই নদীগুলিকে নাব্য করা এবং জল ভাগাভাগি করা নিয়ে মতৈক্যে আসার চেষ্টা করবে দুই দেশ। যৌথ নদী কমিশনই এটা করবে।

ভিডিও দেখুন 47:47

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক উদ্ধারে কোন ভ্যাকসিন?

বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী তিস্তার জলবন্টনের বিষয়টিও তোলেন। ঠিক হয়েছে, যৌথ নদী কমিশনের বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনা হবে।

বাংলাদেশ আরো দুইটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলেছিল। পেঁয়াজ এবং সীমান্ত হত্যা বন্ধ করা। সীমান্ত হত্যা বন্ধ করা নিয়ে দুই দেশই একমত হয়েছে। ভারতও জানিয়েছে, সীমান্তে দুই দেশের রক্ষী বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ দুর্ভাগ্যজনক। এটাকে একেবারে শূন্যে নিয়ে আসতে হবে। কেউ যেন প্রাণ না হারান। পেঁয়াজ নিয়েও কথা হয়েছে।

মুজিববর্ষ ও দুই দেশের সম্পর্কের ৫০ বছর উপলক্ষে একাধিক অনুষ্ঠান নিয়েও দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীর কথা হয়েছে। দুই দেশ একযোগে এই অনুষ্ঠানগুলি করবে। বন্ধুত্বমেলা হবে। এক বছর ধরে নানা আলোচনার আয়োজন করা হবে। বাংলাদেশ ও ভারতে তৈরি হবে বঙ্গবন্ধু-বাপু মিউজিয়াম।

সম্প্রতি বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হচ্ছে দেখে রীতিমতো উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে ভারত। তখনই প্রথমে বিদেশসচিব হর্যবর্ধন শ্রিংলার অঘোষিত বংলাদেশ সফর হয়। এ বার বৈঠক করলেন দুই দেশের বিদেশমন্ত্রী। ডিসেম্বরে দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হবে। ভারত এখন বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক আরো বাড়াতে উঠেপড়ে লেগেছে।

জিএইচ/এসজি(বিদেশ মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি)

বিজ্ঞাপন