মোদী কি গতবারের সাফল্য ধরে রাখতে পারবেন? | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 11.04.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

মোদী কি গতবারের সাফল্য ধরে রাখতে পারবেন?

অন্ধ্র প্রদেশে সহিংসতার কিছু ঘটনার মধ্য দিয়ে শুরু হলো ভারতের জাতীয় নির্বাচন৷ সাত পর্বের প্রথমটিতে বৃহস্পতিবার অন্ধ্র প্রদেশ ছাড়াও আরো ১৭টি রাজ্য ও ২টি ইউনিয়ন টেরিটরিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে৷

default

নানা জরিপে এগিয়ে থাকলেও এবার বড় ব্যবধানে জয় পাওয়া মোদীর জন্য দুঃসাধ্য

ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও তাঁর দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-র এই অগ্নিপরীক্ষায় বৃহস্পতিবার প্রথম পর্বের ভোটে সহিংসতায় একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে৷ নিহত ব্যক্তি অন্ধ্র প্রদেশের ক্ষমতাসীন তেলেগু দেশাম পার্টির স্থানীয় পর্যায়ের এক নেতা৷ আঞ্চলিক পর্যায়ের দলগুলোর মধ্যে বিরোধের জেরে অন্ধ্র প্রদেশে আরো সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে৷

এই প্রদেশ থেকে নিম্নকক্ষ বা লোকসভায় ২৫ জন সদস্য ও রাজ্যের ১৭৫ জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবেন৷ এছাড়াও প্রথম পর্যায়ে আরো ১৭টি রাজ্য ও ২টি ইউনিয়ন টেরিটরিতে ভোটগ্রহণ হয়েছে৷ ছয় সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলবে সাত পর্বের এই নির্বাচন

বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই গণতান্ত্রিক নির্বাচনে ভারতের ১৩০ কোটি মানুষের মধ্যে ভোটার হলেন ৯০ কোটি৷ প্রায় দশ লাখের মতো ভোটকেন্দ্রে লোকসভার ৫৪৫টি আসনের মধ্যে ৫৪৩টি আসনের জন্য ভোটগ্রহণ হবে৷ বাকি দু'টি আসনের সদস্য প্রেসিডেন্ট সরাসরি অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান সম্প্রদায় থেকে মনোনীত করবেন৷

মোট ৪৩ কোটি নারী ভোট দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে৷ আর নতুন ভোটার ৮ কোটি ৪০ লাখের মতো৷

২০১৪ সালের নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদীর দল বিজেপি বিপুল ব্যবধানে জয় নিয়ে সরকার গঠন করে৷ এবারকার জরিপগুলোও মোদীকেই এগিয়ে রাখছে৷ তবে আগেরবারের মতো বড় ব্যবধানে জয় পাওয়ার আশা দুরাশা হবে৷

বিজেপি'র আইনপ্রণেতা রাকেশ সিনহা প্রধানমন্ত্রী মোদীর অর্জনের প্রশংসা করেছেন৷ তিনি বলেন, ‘‘যদি কেউ আমাদের উন্নয়ন প্রকল্পগুলো মূল্যায়ন করে, তাহলে একে সমাজবাদী সরকারই মনে করবে৷ আমাদের সরকার গরিবদের জন্য অনেক সুযোগ সুবিধা তৈরি করেছে; যেগুলোর আওতায় আগে কেবল মধ্যবিত্ত পর্যন্ত লোকেরা ছিলেন৷''

ভিডিও দেখুন 01:52

এবার ভোট দিচ্ছেন সাড়ে আট কোটি নতুন ভোটার

নির্বাচনি ইশতাহারে বিজেপি কৃষকদের কল্যাণ, জাতীয় নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল, স্বাস্থ্য সেবা ও অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার ওপর জোর দিয়েছে৷ এছাড়া পাকিস্তানের সঙ্গে সম্প্রতি কাশ্মীরকে ঘিরে যে বৈরিতা তৈরি হয়েছিল, তার কথাও রয়েছে তাদের নির্বাচনি প্রচারণায়৷

তবে মোদী বিরোধীরা বার বার তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনলেও তা ধোপে খুব একটা টেকেনি বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা৷ ‘‘তাঁর দুর্নীতিপরায়ণ ইমেজ কিন্তু নেই৷ তাঁর ‘মোদী ব্র্যান্ড' রাফালে কেলেঙ্কারির মতো বিষয়ে খুব একটা টলেনি, বিশেষ করে সমর্থকদের কাছে৷ কারণ, তাঁরা এতে বিশ্বাস করেন না,'' ডয়চে ভেলেকে বলেছেন সিভোটার নামের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ইয়াশওয়ান্ত দেশমুখ৷

২০১৪-তে যে কংগ্রেসকে সহজেই হারিয়েছিল বিজেপি, সেই কংগ্রেসই এখন রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী৷ কংগ্রেস তাদের ইশতাহারে সবচেয়ে গরিব ২০ ভাগের নিশ্চিত আয়ের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছে৷ এছাড়া স্বাস্থ্যসেবা, সুলভে বাসস্থান ও আগামী পাঁচ বছরে কর্মসংস্থানের হার বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে৷ কংগ্রেস বিজেপিকে হারানোর জন্য আঞ্চলিক দলগুলোর জাতীয় জোট করার আহ্বানও জানিয়েছে, যাকে তারা বলছে ‘মহাগাথাবন্ধন'৷ দেশমুখ বলেন, ‘‘যদি দলগুলো তাদের ভেদাভেদ ভুলে একসঙ্গে কাজ করতে পারে, তবেই উদ্দেশ্য সফল হবে৷''

ভারতের সাতপর্বের ভোটগ্রহণ শেষ হবে ১৯ মে৷

রিতিকা পান্ডে, মানসি গোপালাকৃষ্ণান, এপি/জেডএ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন