মোদীর সঙ্গে টেলিভিশন বিতর্কে অংশ নিতে চাই: ইমরান খান | বিশ্ব | DW | 22.02.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত-পাকিস্তান

মোদীর সঙ্গে টেলিভিশন বিতর্কে অংশ নিতে চাই: ইমরান খান

দুই দিনের সফরে রাশিয়ায় যাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান৷ প্রায় দুই দশক পর পাকিস্তানের কোনো নেতা রাশিয়া সফর করছেন৷

নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে টেলিভিশন বিতর্কে আগ্রহী ইমরান খান

নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে টেলিভিশন বিতর্কে আগ্রহী ইমরান খান

তার আগেই রাশিয়া টুডেকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ইমরান খান জানালেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে টেলিভিশন বিতর্কে অংশ নিতে চান তিনি৷

স্বাধীনতার ৭৫ বছর পেরিয়ে গেলেও ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক ‘স্বাভাবিক’ হয়নি৷ তিনটে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জড়িয়েছে দুই দেশ৷ এরপর সাম্প্রতিককালে ৩৭০ ধারা খারিজ করে জম্মু-কাশ্মীরের প্রশাসনিক বিভাজন করে আগুনে ঘি ঢেলেছে ভারত৷ জাতিসংঘেও কাশ্মীর ইস্যুতে সুর চড়িয়েছিল পাকিস্তান৷ অন্যদিকে, ২০০৮ মুম্বইয়ে সন্ত্রাসী হামলা, ২০১৬ সালে ভারতের পাঠানকোটে বিমানবাহিনীর ঘাঁটিতে হামলা, ২০১৯ সালে পুলওয়ামা হামলার ঘটনায় পাকিস্তানকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে ভারত৷

এবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জানালেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে টেলিভিশন বিতর্কে অংশ নিতে চান তিনি৷ ইমরান ও নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে টেলিভিশনে বিতর্ক ও আলোচনা দেখলে  উপমহাদেশের কোটি কোটি মানুষ উপকৃত হবেন৷ সরাসরি এ আলোচনা অনেক সমস্যা সমাধানে সাহায্য করবে বলে মনে করেন ইমরান৷ সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি৷ তবে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তরফে এ বিষয়ে কোনো বিবৃতি মেলেনি এখনো৷ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স যোগাযোগের চেষ্টা করলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি৷

ইমরান সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘‘ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্কে শীতলতার প্রভাব বাণিজ্যেও পড়ছে৷ বাণিজ্যিক দিক থেকে দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে এসে ঠেকেছে৷’’

সব দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ভালো রাখতে চাওয়ার বিষয়টিতে জোর দেন পাক প্রধানমন্ত্রী৷ সম্প্রতি পাকিস্তান সরকারের বাণিজ্যিক বিভাগের কর্মকর্তা রাজ্জাক দাউদের কণ্ঠেও ছিল একই সুর৷ ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কে জোর দেয়ার কথা বলেছিলেন তিনিও৷ তিনি মনে করেন, এর ফলে দুই দেশই উপকৃত হবে৷ চীনের সঙ্গে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক ভালো৷ সড়কের উন্নতি-সহ একাধিক প্রকল্পে যৌথভাবে কাজ করছে দুই দেশ৷ ইরান এবং আফগানিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সীমাবদ্ধতার দিকটি নিয়েও কথা বলেছেন ইমরান এই সাক্ষাৎকারে৷

অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনার জন্য দুই দিনের মস্কো সফরের পরিকল্পনা ইউক্রেন সংকটের আগে থেকেই করা হয়েছিল৷ এই প্রসঙ্গে ইমরান বলেন, ‘‘এই বিষয়টি নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন নই৷ রাশিয়ার সঙ্গে পাকিস্তানের দীর্ঘদিন ধরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে৷ এটা আরো মজবুত করতে আমরা আগ্রহী৷’’

আরকেসি/এসিবি (রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন