মোদীতেই শান্তি খুঁজছেন ইমরান খান | বিশ্ব | DW | 10.04.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত-পাকিস্তান

মোদীতেই শান্তি খুঁজছেন ইমরান খান

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান মনে করেন যে ভারতের সঙ্গে শান্তি আলোচনার ক্ষেত্রে নরেন্দ্র মোদী বেশি সুবিধাজনক৷ তাই, দেশটিতে বৃহস্পতিবার শুরু হতে যাওয়া নির্বাচনে মোদীর বিজেপি দল পুনরায় জিতলে অসন্তুষ্ট হবেন না তিনি৷

ইমরান খান জানিয়েছেন যে ভারতের পরবর্তী সরকারের নেতৃত্বে যদি বর্তমান বিরোধী দল কংগ্রেস আসে তাহলে তা দেশটির সঙ্গে শান্তি আলোচনায় ইতিবাচক ফল নাও আনতে পারে৷ তিনি মনে করেন, বিতর্কিত ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্তে আসতে দলটি ভয় পেতে পারে, কেননা তখন ডানপন্থিরা তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে৷

বিদেশি সাংবাদিকদের এক ছোট্ট দলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘‘ডানপন্থি দল বিজেপি যদি নির্বাচনে জেতে তাহলে হয়ত কাশ্মীর ইস্যুতে একটি সমাধানে পৌঁছানো যাবে৷''

গত আগস্টে পাকিস্তানের দায়িত্ব গ্রহণ করা খান মনে করেন, বর্তমানে কাশ্মীরে বসবাসরত মুসলমানরাসহ সামগ্রিকভাবে গোটা ভারতে মুসলমানরা যে বিপুল উন্মত্ততার শিকার হচ্ছেন তাসত্ত্বেও মোদী পুনরায় ক্ষমতায় আসলে একটি সমাধানে হয়ত পৌঁছানো যাবে৷

তিনি বলেন, ‘‘ভারতে এই মুহূর্তে যা ঘটছে তা আমি কখনও দেখার আশা করিনি৷ মুসলমানিত্ব হামলার শিকার হচ্ছে৷''

খান জানান একসময় যে মুসলমানরা ভারতে সন্তুষ্ট ছিলেন এখন তারাও উগ্র হিন্দু জাতীয়তাবাদের উত্থানে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন৷

তিনি মনে করেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুর মতো মোদীও ‘ভয় এবং জাতীয়তাবাদী অনুভূতিকে' পুঁজি করে ভোটারদের কাছে টানতে চাইছেন৷

এক্ষেত্রে জম্মু এবং কাশ্মীরের মানুষদের একটি বিশেষ অধিকার কেড়ে নিতে চলতি সপ্তাহে ভারত সরকারের প্রস্তাবিত একটি বিলের কথাও উল্লেখ করেন খান৷ গত কয়েক দশক ধরে কাশ্মীর অঞ্চলে সেখানকার বাসিন্দা নন এমন কারো জমি কেনার অধিকার ছিল না৷ এখন সেই নিয়মে পরিবর্তন আনতে চাচ্ছে মোদী সরকার৷ তবে, এটি নির্বাচনের আগে ভোটারদের মন জয়ের একটা ফন্দি হতে পারে বলেও মনে করেন খান৷

 ভারতকে শান্তির  বার্তা দিতে সুনির্দিষ্ট এক ঘোষণাও দিয়েছেন  ইমরান খান৷  তিনি জানিয়েছেন যে পাকিস্তানভিত্তিক সব বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে নিবৃত্ত করতে বদ্ধপরিকর ইসলামাবাদ৷ আর এই কাজে পাকিস্তানের শক্তিশালী সেনাবাহিনীও সরকারকে পুরোপুরি সমর্থন যোগাচ্ছে৷ কাশ্মীরে যেসব গ্রুপ সক্রিয় আছে তাদেরও একইভাবে শেষ করে দেয়া হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিবিদে রূপ নেয়া এই প্রধানমন্ত্রী৷

এআই/জেডএইচ (রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন