মোজার দুর্গন্ধে মশা নিধন! | বিজ্ঞান পরিবেশ | DW | 16.07.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞান পরিবেশ

মোজার দুর্গন্ধে মশা নিধন!

এইডস এবং ক্যান্সার৷ মারণব্যাধি হিসেবে এই দুটি রোগের নাম সবার জানা৷ সেই তুলনায় ম্যালেরিয়াকে তেমন গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে না৷ অন্তত গণমাধ্যমে৷ কিন্তু সেই ম্যালেরিয়াই প্রতি বছর আট লক্ষ মানুষের জীবন নিয়ে নিচ্ছে৷ বিশেষত আফ্রিকাতে৷

Strümpfe Schlagworte Bein, Beine, Farbe, Farben, Fuesse, Fuß, Füße, Gewand, Kleidung, Leichtigkeit, Mode, Socke, Socken, Strumpf, Strumpfhose, Strumpfhosen, Strümpfe, Unterschied, Unterschiede, Unterwaesche, Unterwäsche, airy, beschwingt, beschwingte, beschwingter, beschwingtes, bunt, bunte, bunter, buntes, cloth, clothing, cloths, colored, colorful, colors, coloured, colourful, colours, difference, farbenfroh, farbenfrohe, farbenfroher, farbenfrohes, fashion, feet, float, floating, foot, gaudy, hover, leg, legs, leicht, light, luftig, pair of tights, pantyhose, schweben, schwebende, schwebender, schwebendes, schwebt, skivvy, sock, socks, stocking, tights, underclothes, underclothing, underwear, undies, vogue, wear

এবার সেখানকার গবেষকরা ম্যালেরিয়া দমনের উপায় বের করার কথা জানিয়েছেন৷ তারা বলছেন ম্যালেরিয়ার জীবাণুবাহী মশা মানুষের শরীর বুঝে কামড় দেয়না৷ তারা শরীর থেকে যে গন্ধ বের হয় তাতে আকৃষ্ট হয়ে সেখানে কামড় দেয়৷ কারণ তাদের আকর্ষণ মূলত রাসায়নিক পদার্থের প্রতি৷

মশার এই বৈশিষ্ট্যকে কাজে লাগিয়েই বিজ্ঞানীরা মশা নিধনের উপায় বের করেছেন৷ সেটা হচ্ছে, ময়লা মোজার গন্ধ! এতে নয়টি রাসায়নিক পদার্থের মিশ্রণ রয়েছে৷ ফলে মশারা এই গন্ধের প্রতি আকৃষ্ট হয় বেশি৷ তাই বিজ্ঞানীরা এমন এক যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন যেখানে এই গন্ধের সঙ্গে থাকবে বিষাক্ত পদার্থ৷ ফলে মশা মোজার গন্ধের লোভে পড়ে ঐ যন্ত্রে পা দিলেই শেষ৷ মাত্র ২৪ ঘন্টা লাগবে প্রাণ যেতে৷

পরীক্ষা করে দেখা গেছে, বাড়ি থেকে প্রায় ৩০ মিটার দূরে যন্ত্র রেখে দিলেও সেটা প্রায় ৭৪ থেকে ৯৫ শতাংশ মশা মারতে সক্ষম হয়৷ গবেষকরা বলছেন এক হাজার মানুষ বাস করে এমন একটি গ্রামের জন্য ২০ থেকে ১২৫টি যন্ত্রের প্রয়োজন হবে৷ গবেষক দলের প্রধান কেনিয়ার বিজ্ঞানী ফ্রেদ্রোস ওকুমু জার্মান বার্তা সংস্থা ডিপিএ'কে জানিয়েছেন এসব তথ্য৷

Socken auf dem Weihnachtsmarkt in Köln (Foto: DW / Nela Doutch)

বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন এখন পর্যন্ত এই গবেষণায় অর্থ সহায়তা দিয়েছে৷ এবার তার সঙ্গে যোগ দিয়েছে ক্যানাডা সরকারের সংস্থা ‘গ্র্যান্ড চ্যালেঞ্জেস ক্যানাডা'৷ এই দুই সংস্থা আগামী দুই বছরের জন্য গবেষকদের অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে৷ উদ্দেশ্য - উৎপাদিত যন্ত্রকে আরও উন্নত করা যেন সেটা পাঁচ বছর পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়৷ এছাড়া বাড়ির আশেপাশে ঠিক কোন্ জায়গায় রাখলে যন্ত্রটি বেশি কাজ করবে সেটাও বের করা হবে৷

গবেষকরা আশা করছেন, আগামী ২০১৬ সালের মধ্যে ব্যবহার উপযোগী যন্ত্র হাতে পাওয়া যাবে৷ এই যন্ত্র আফ্রিকায় মশার দৌরাত্ম পুরোপুরি কমাতে না পারলেও অনেকাংশে সেটা সফল হবে বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা৷

প্রতিবেদন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক