মোসুল মুক্ত, তবে আইএস এখনো আছে | বিশ্ব | DW | 10.07.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ইরাক

মোসুল মুক্ত, তবে আইএস এখনো আছে

রবিবার আইএসমুক্ত মোসুল শহরে পা রাখলেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী৷ তবে ইরাক থেকে তথাকথিত ইসলামিক স্টেট এখনো পুরোপুরি মুছে যায়নি৷ ইরাকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়েও দুশ্চিন্তা রয়ে গেছে৷

প্রায় ৯ মাসের সংগ্রামের পর ইরাকি বাহিনী মোসুল শহরকে আইএসমুক্ত করতে পেরেছে বলে তাদের অভিনন্দন জানালেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল-আবাদি৷ তিনি পায়ে হেঁটে শহরের কিছু অংশ পরিদর্শন করেন৷ টেলিভিশনে তাঁর সঙ্গে কিছু স্থানীয় বাসিন্দাকেও দেখা গেছে৷

প্রধানমন্ত্রী অবশ্য এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে শহরকে পুরোপুরি মুক্ত ঘোষণা করেননি৷ রবিবার শহরের পুরানো অংশে গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে৷ তাঁর মুখপাত্র স্বীকার করেছেন যে, শহরে এখনো কিছু আইএস জঙ্গি রয়ে গেছে৷ তাদের না সরিয়ে চূড়ান্ত জয়ের ঘোষণা করা হবে না৷

শহরটি প্রায় ৩ বছর ধরে আইএস-এর কবজায় ছিল৷ সেখানেই আইএস নেতা আবু বকর আল বাগদাদি খিলাফত ঘোষণা করেছিলেন৷ তবে এখনো ইরাকের কিছু বিচ্ছিন্ন অঞ্চলের উপর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে আইএস-এর৷ মোসুল শহর ধরে রাখতে তারা মরিয়া হয়ে নিরীহ মানুষের মাঝে নারী আত্মঘাতী হামলাকারী পাঠাচ্ছিল বলে দাবি করেছেন ইরাকি বাহিনীর এক মুখপাত্র৷

মোসুল শহরের প্রায় সর্বত্র ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন দেখা যাচ্ছে৷ কিছু এলাকা প্রায় ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে৷ হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে৷ প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে৷ শহরের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ইরাকের সরকারের হাতে চলে গেলেও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘাত আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে৷ জাতিসংঘের মতে, শহরের মৌলিক অবকাঠামোর পুনর্গঠনের জন্য ১০০ কোটি ডলারের বেশি প্রয়োজন পড়বে৷

মোসুল শহরের মুক্তির পেছনে আন্তর্জাতিক কোয়ালিশন বাহিনীরও অবদান রয়েছে৷ আকাশপথে তারা ইরাকি বাহিনীকে নানাভাবে সহায়তা করেছে৷ ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ তাই এই শহরের মুক্তির জন্য ফ্রান্সসহ সব দেশের বাহিনীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন৷

ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাইকেল ফ্যালন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী ও সে দেশের সেনাবাহিনীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন৷

ইরাকি সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাও তাদের এই সাফল্যে সন্তুষ্ট৷ কয়েক বছর আগেও ইরাকি বাহিনীর দুর্বলতা ও মনোবলের অভাব নিয়ে তুমুল সমালোচনা শোনা যেত৷ মসুল শহর উদ্ধারে তাদের অভিযান অনেক মহলে প্রশংসিত হচ্ছে৷

এসবি/এসিবি (রয়টার্স, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন