‘মেলা আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিচ্ছবি′ | বিশ্ব | DW | 18.10.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সংবাদভাষ্য

‘মেলা আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিচ্ছবি'

চৈত্র এলেই মনটা কেমন যেন হয়৷ মনে পড়ে সেইসব ধূলিধুসর, রৌদ্রমাখা দিনগুলোর কথা৷ মনে পড়ে যায় আমার প্রিয় গ্রামের কথা, গ্রামের হাট-বাজার, যাত্রাপালা, নাগরদোলা আর হ্যাঁ, মেলার কথা৷ নানারকম, বিচিত্র সব মেলার কথা৷

ওই যে দূরের সবুজ গ্রামটা৷ সেখানে বিশাল ছাতার মতো একটা অশ্বত্থ আছে৷ কী ছায়া সুনিবিড় শান্ত শ্যামলিমায় ঢাকা সব কিছু৷ গ্রীষ্মের উষ্ণ দুপুরে সবটুকু প্রশান্তি যেন সেখানে ছড়িয়ে রাখে৷ গাছটির চারপাশ মাঠের মতো সমতল৷ বৈশাখে ওখানে সপ্তাহব্যাপী মেলাবসে৷ গ্রামের মানুষ জায়গাটির নাম রেখেছে কালিতলা৷ মেলা শুরু হওয়ার মাসখানেক আগেই গ্রামে প্রস্তুতি শুরু হয়৷ পাশের গ্রামগুলোতে কামার, কুমার, ছুতার, দোসাইদ, তাঁতি সবাই ব্যস্ত সময় পার করে৷ ওদিকে যাত্রাদল, গায়কদল, কবিয়াল – এঁদেরও দু'দণ্ড সময় নেই৷ নতুন নতুন যাত্রাপালার পরিকল্পনা নিয়েই সময় কাটে তাঁদের৷ চারদিকে কেমন উৎসবের আমেজ৷ সব বয়সি মানুষ অপেক্ষা করে মেলার জন্য৷ বৈশাখে গ্রাম বাংলায় এমন দৃশ্য বিরল নয়৷ আর বছরের শুরুতেই বাংলা বর্ষবরণকে কেন্দ্র করেই এই জনপদে সবচেয়ে বেশি মেলার আনুষ্ঠানিকতা চোখে পড়ে৷ সময়ের বিবর্তনে শুধু মেলার আনুষ্ঠানিকতায় কিছু পরিবর্তন এসেছে বৈকি৷ আবার সংখ্যায়ও যে কিছুটা কমেছে, তা নিশ্চিত করেই বলা যায়৷

আসলে এই জনপদে মেলা একটি উপলক্ষ্য মাত্র৷ মেলাকে ঘিরে যে আয়োজন তা বহুধা বিস্তৃত এবং বর্ণাঢ্যতায় ভরা৷ শেকড়ের এসব বিনোদন যুগ যুগ ধরে আমাদের সাংস্কৃতিক ধারাকে নানাভাবে সমৃদ্ধ করেছে৷ মেলার অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ যাত্রাপালা৷ রাত একটু গভীর হলেই শুরু হতো যাত্রানুষ্ঠান৷ একসময় জনপ্রিয় ছিল রহিম রূপবান, সিরাজউদ্দৌলা৷ কোথাও কোথাও বসত পালা গানের আসর৷ তবে যে কোনো লোকজ মেলায় নাগরদোলা এখনো অনিবার্য৷ মেলায় সব ধরনের পণ্যই সহজলভ্য৷ একটা সময় ছিল যখন মানুষ পণ্য আদান-প্রদানের প্রধান মাধ্যম হিসেবে মেলাকেই বেছে নিয়েছিল৷ সময়ের বিবর্তনে সেসব এখন বদলে গেছে৷ তবুও মেলা কেন্দ্রিক উৎসবের আমেজ এখনো কোথাও কোথাও লক্ষ্য করা যায়৷ দেশের উত্তর জনপদে কোনো কোনো মেলার জন্য সারা বছর অপেক্ষা করা হয় নাইওরি নেবার জন্য৷ মেলা উপলক্ষ্যে বিশেষত মেয়ে-জামাইকে নিমন্ত্রণ করা হয়৷ নতুন জামা-কাপড় দেওয়া হয়৷ এটা কোনো কোনো এলাকার আঞ্চলিক রীতি৷

মূলত বৈশাখে বর্ষবরণকে কেন্দ্র করেই মেলা ও নানামাত্রিক উৎসবের আয়োজন করা হয়৷ এ মাসে মেলার আবেদনটা একটু ভিন্ন৷ কিন্তু শুধু বৈশাখেই নয়, আমাদের দেশে মেলার পরিধি বর্ষব্যপ্ত৷ তথ্য মতে, একসময় সারাদেশে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ১৩০০ মেলা অনুষ্ঠিত হতো৷ তবে এই সংখ্যাটি শতভাগ নিশ্চিত কিছু নয়৷ কারণ, মেলা একটি চলমান প্রক্রিয়া৷ সময়ের বিবর্তনে বদলে যেতে পারে এর স্থান, পরিধি, সময়কাল ও উপলক্ষ্য৷ আবার কিছু কিছু মেলা হঠাৎ করে বন্ধও হয়ে যেতে পারে৷ শুরু হতে পারে সম্পূর্ণ নতুন ধরনের কোনো কোনো মেলা৷ বর্তমান প্রেক্ষাপটে মেলার জন্য বটতলা বা পুর্বনির্ধারিত কোনো স্থানের প্রয়োজন না-ও হতে পারে৷ সবকিছু মিলিয়ে মেলা এতটাই বিবর্তিত একটি সাংস্কৃতিক মাধ্যম যে, এর সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া অনেকটাই দুঃসাধ্য৷ কারণ, একটি মেলার ধারাবহিকতা নির্ভর করে সেখানকার আঞ্চলিক পরিস্থিতির ওপর৷ আয়োজকদের সদিচ্ছা, আর্থিক সঙ্গতি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ইত্যাদি বিষয়গুলো তখন মুখ্য হয়ে ওঠে৷ এসব কারণে মেলা ধারাবাহিকতা হারায়৷ বদলে যেতে পারে মেলার সময়কাল এবং পরিধিও৷ 

আধুনিক যুগে মেলার রকমফের বেড়েই চলেছে৷ শিল্পমেলা, প্রদর্শনী মেলা, বাণিজ্য মেলা, বসতি মেলা, কম্পিউটার মেলা, মৎস্য মেলা, ভ্রমণ মেলা, আয়কর মেলা, ফার্ণিচার মেলা, প্রকৃতি মেলা, পরিবেশ মেলা, বৃক্ষ মেলা, কৃষি মেলা, বইমেলা, পৌষ মেলা ইত্যাদি নানা রকমের মেলার আয়োজন হতে দেখা যায়৷ এ সবের কোনো কোনোটিতে প্রবেশ উন্মুক্ত, কোনো কোনোটি নিয়ন্ত্রিত৷ কোনোটি শুধু নানামুখী উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পৃক্ত করতে কিংবা যুবসমাজের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেও আয়োজন করা হচ্ছে৷ এক্ষেত্রে যুবমেলার কথাও উল্লেখ করা যায়৷ এছাড়া কুটিরশিল্প, তাঁতশিল্প, চামড়াশিল্প ইত্যাদির গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে বা আন্তর্জাতিক বাজারে অবস্থান তৈরির জন্য এসব পণ্যভিত্তিক মেলাও অনুষ্ঠিত হচ্ছে৷ পণ্যভিত্তিক এসব মেলা আমাদের নগর সংস্কৃতিতে যোগ করছে ভিন্ন মাত্রা৷ এসব মেলার ব্যাপ্তিকালও নানা মাত্রিক৷ একদিন থেকে শুরু করে একমাসও হতে পারে৷ এসবের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের শিরোনামে পণ্যভিত্তিক মেলাও অনুষ্ঠিত হচ্ছে৷ তাতে স্থানীয় মানুষ ভিন্ন সংস্কৃতির সঙ্গেও পরিচিত হবার সুযোগ পাচ্ছে৷

মেলা যদিও আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির একটা অংশ, তবু মেলাকেন্দ্রিক কিছু সাংস্কৃতিক আচার-অনুষ্ঠান গড়ে উঠেছে৷ এগুলো আমাদের বিনোদনধারাকে উর্বর করেছে৷ পয়লা বৈশাখের কথাই ধরা যাক৷ এ উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত মেলায় কি শুধু জিনিসপত্র বেচা-বিক্রি চলে? অবশ্যই নয়৷ যাত্রা প্রদর্শনী, পুতুলনাচ, পালাগান, কবিয়ালদের আসর থেকে শুরু করে হেন অনুষ্ঠান নেই, যা দেখা যায় না৷ কারণ, এসব হচ্ছে মেলার বাড়তি আকর্ষণ৷ সবাই তো আর মেলায় কেনাকাটা করতে যায় না, কেউ কেউ আনন্দ উপভোগ করতেও সেখানে যায়৷ সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে এই যে মেলার উপস্থিতি, তার ইতিহাস বেশ পুরনো৷ এখন হাতের কাছেই সব ধরনের বিনোদনের ব্যবস্থা রয়েছে৷ ইচ্ছেমতো ছবি দেখা, গান শোনা, গেম খেলা, এমনকি ইন্টারনেটের বদৌলতে গোটা পৃথিবী ঘুরে আসা৷ আজ থেকে একশ' বা দু'শ' বছর আগেও মানুষ কি এ সবের কথা ভাবতে পেরেছে? তবু থেমে থাকেনি মানুষ৷ বরং যেটুকু উপভোগ করেছে, তা মন-প্রাণ দিয়ে করেছে৷ আর মেলাকেন্দ্রিক বিনোদনই ছিল তখন সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয়৷ মধ্যবিত্ত কিংবা নিম্নবিত্তরা প্রায় সারা বছর ধরে মেলার অপেক্ষায় থাকতো৷ মেলার সময় কেনাকাটা বা বেচা-বিক্রি হবে, আমোদ-ফূর্তি হবে৷ এমন নির্মল আনন্দের দিন বছরে একবারই তো আসে৷ মানুষ এখন যাত্রার পরিবর্তে মঞ্চনাটক, কিংবা টিভি-সিনেমাতেই বেশি আসক্ত৷

 

কিছু কিছু মেলা স্থানকেন্দ্রিক৷ প্রসঙ্গত পীর-আউলিয়াদের দরগাহকেন্দ্রিক মেলার কথা বলা যায়৷ প্রথম দিকের মেলাগুলো সাধারণত যাতায়াত ব্যবস্থার সুবিধাজনক অবস্থানেই অনুষ্ঠিত হতো৷ চৌরাস্তার মোড়ে, নদীর তীরে, রেলস্টেশনের কাছে৷ অর্থাৎ যেখানে খুব সহজেই মালামাল পরিবহন করা যেতো, যাতায়াত করা যেতো সেখানেই মেলা বসত৷ ব্যতিক্রমও অবশ্য রয়েছে কিছু৷ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক মেলা মানুষের বিশ্বাস ও লৌকিকতাকে কেন্দ্র করেই এবং যথাযথ প্রতিষ্ঠানভিত্তিক৷ বটতলার মেলা, কালীতলার মেলা৷ এ সবও কিছু অনানুষ্ঠানিক ধারণা থেকেই সৃষ্ট৷ বটতলায় যদি খোলা প্রাঙ্গণ থাকে, চারদিকে যাতায়াতের জন্য রাস্তা থাকে, চমৎকার ছায়া পাওয়া যায়, বটবৃক্ষকে যদি দেবতুল্য মনে করা হয়, তাহলে এর নীচে মেলার আয়োজন করতে দোষ কোথায়? প্রচলিত অনেক ধ্যানধারণা থেকেও মেলার স্থান নির্ধারণ করতে দেখা গেছে৷

প্রকৃতি ও পরিবেশ বিষয়ক লেখক

মোকারম হোসেন

সাধারণত তীর্থস্থান নয়, কিন্তু ধর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত এমন জায়গায়ও মেলা বসতে দেখা যায়৷ বারুণী স্নান ধর্মীয় বিষয়, সেখানেও পুণ্যার্থীদের ভিড় জমে৷ অনাকাঙ্খিতভাবেই মেলার পরিবেশ তৈরি হয়৷ রথযাত্রা, দুর্গাপূজা এসব উৎসবে লোকসমাগম হয় প্রচুর৷ ফলে এখানেও মেলা বসে৷ দেশের ঐতিহ্যবাহী বড় পরিসরের বেশ কিছু মেলা প্রত্যক্ষ করার সুযোগ হয়েছিল আমার৷ তার মধ্যে মহেশখালীর আদিনাথের মেলা, সুনামগঞ্জের যাদুকাটার লাউড়ারগড় মেলা ও চাপাইনবাবগঞ্জের শাহ নিয়ামত উল্লাহর দরগাহ উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত মেলা অন্যতম৷ এই মেলাগুলোতে লক্ষাধিক লোকের সমাগম দেখেছি৷ মেলায় মানুষের সম্পৃক্ততা কতটা আন্তরিক ও গভীর হতে পারে, তার বড় উদাহরণ এই মেলাগুলো৷ অনেক দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসতো এসব মেলায়৷ কিন্তু আমাদের জনপদে ঐতিহ্যবাহী এসব মেলা ভালোভাবে টিকে থাকলেও, কিছু কিছু মেলা একেবারেই হারিয়ে গেছে৷ এর পেছনে রয়েছে একাধিক কারণ৷ প্রধাণত পৃষ্ঠপোষকতার অভাব, আদর্শিক চেতনা ও ধর্মীয় বিভাজন এর জন্য দায়ী৷ বর্তমানে হিন্দুদের বিভিন্ন ধর্মীয় আচার ও উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত মেলাগুলো নানাভাবে বাধাগ্রস্ত হতে দেখা যায়৷ তাছাড়া যথাযথ উদ্যোগ এবং স্থানসংকটও বর্তমানে অন্যতম একটি কারণ৷

ইদানীং মেলার নামে সারাদেশে অনেক অসংগতিপূর্ণ ও অসামাজিক কার্যকলাপ হতে দেখা যায়৷ তাতে মেলার সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে৷ পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে৷ নিশ্চয়ই কেউ তার পরিবার নিয়ে অশ্লীল নৃত্য আর জুয়ার আসরে যাবেন না৷ এটা আসলে এক ধরনের অবক্ষয়৷ মেলা তো একটি নির্মল আনন্দের জায়গা৷ সেই আনন্দের উপকরণগুলো অবশ্যই সমাজমনস্ক হতে হবে৷ বড় জোর সেখানে শিকড়ঘনিষ্ঠ বিনোদনের পাশাপাশি আধুনিকতাও যুক্ত হতে পারে৷ তবে অবশ্যই কুরুচিপূর্ণ কিছু নয়৷ কিন্তু এখন তো গ্রামের মেলা মানেই এসব৷ আর জুয়া এবং অশ্লীল নৃত্যকেন্দ্রীক এসব মেলার দাপটে আমাদের একসময়ের সহজ-সরল জীবনবোধের প্রতিচ্ছবি সম্বলিত মেলাগুলো এখন হারিয়ে যেতে বসেছে৷ তারুণ্যের যে শক্তি অপসংস্কৃতির মেলা নিয়ে ব্যস্ত, সেই শক্তিটাই ইচ্ছে করলে মেলার প্রচলিত পুরনো ধারা ফিরিয়ে আনতে পারে৷ কাজটি মোটেও কঠিন কিছু নয়৷ একসময় কোথায়, কোন ধরনের, কতদিনের মেলা হতো স্থানীয় মানুষ তা জানেন৷ তরুণ সমাজ সেসব মেলা সম্পর্কে বিশদ জেনে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় মেলার আয়োজন করতে পারে৷ এসব মেলার মধ্য দিয়ে আমাদের লোকসংস্কৃতির বর্ণাঢ্য ও বহুমুখী চিত্রগুলো আবার নতুন করে ফিরে আসবে৷ এটা হলো একটি সুস্থধারার চর্চা৷ তারুণ্যের ভেতর দিয়েই এই চর্চার প্রাণশক্তি সঞ্চারিত করা প্রয়োজন৷ নিজের ঐতিহ্য সম্পর্কে না জানলে জীবন অসম্পূর্ণ থেকে যায়৷

দেশের পুরনো মেলাগুলো যেন যথাযথভাবে অনুষ্ঠিত হতে পারে তার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা থাকা প্রয়োজন৷ বিভিন্ন অঞ্চলের লুপ্তপ্রায় মেলাগুলোর তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে স্থানীয়ভাবে সেই মেলাগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করা উচিত৷ থাকা উচিত সরকারের পৃষ্ঠপোষকতাও৷ মেলাগুলো যেন যথাযথ সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারে সেজন্য প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ও নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন৷ সব জেলা বা উপজেলা পর্যায়ে সরকারি এবং বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন সেক্টরের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি মেলা কমিটি থাকা উচিত৷ মেলা আয়োজনের ক্ষেত্রে সেই কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে৷ সরকারি এবং বেসরকারি যৌথ উদ্যোগই পারবে আমাদের মেলাকেন্দ্রিক একটি ঐতিহ্যবাহী সুস্থ বিনোদনধারা ফিরিয়ে আনতে৷ এই ধরনের বিনোদন মাধ্যম আমাদের তরুণ সমাজকেও বিপথগামিতা থেকে রক্ষা করবে৷

মোকারম হোসেন,  প্রকৃতি ও পরিবেশ বিষয়ক লেখক, ‘তরুপল্লব' পত্রিকার সাধারণ সম্পাদক

           

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন