মেলান্দহের ছোট্ট সাম্য কাঁপাচ্ছে ফেসবুক | বিশ্ব | DW | 03.05.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভাইরাল ভিডিও

মেলান্দহের ছোট্ট সাম্য কাঁপাচ্ছে ফেসবুক

লিউনা তাসনীম সাম্য তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী৷ জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় বসবাস তার৷ খুব স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় গান, ছবি আঁকা তার নিতান্তই শখের মধ্যে পড়ে৷ কিন্তু সামাজিক মাধ্যমে হঠাৎ করেই রীতিমতো তারকায় পরিণত হয়েছে সে৷

ঘটনার শুরু ‘মোর ঘুম ঘোরে এলে মনোহর’ গানটি দিয়ে৷ মেলান্দহের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামিম ইয়ামীনের মেয়ে লিলিথের বন্ধু হওয়ার সুবাদে সাম্যর বেশিরভাগ সময় কাটে খেলাধুলা করেই৷ মাঝেমধ্যেই আপন মনে গেয়ে ওঠে নিজের পছন্দের নানা গান৷

এমনই এক গ্রীষ্মের দিনে ইয়ামীনের মনে হয়, শুধু নিজে না শুনে ফেসবুকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অন্য বন্ধুদেরও এই খুদে প্রতিভার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া উচিত৷

Bangladesch Schülerin Liuna Tasneem Samyo der dritten Klasse einer ländlichen Schule von Melandaha Upazila im Bezirk Jamalpur

দুই বন্ধু সাম্য আর লিলিথ

যেই ভাবা, সেই কাজ৷ হাতের স্মার্টফোনটি নিয়ে শুরু করলেন ফেসবুক লাইভ৷ মাইক্রোফোন হাতে নিলে যেখানে পেশাদার শিল্পিদেরও ঘাম ঝরে, সেখানে অবলীলায় বেশ কঠিন সুরের গানটি সাবলীল কণ্ঠে গেয়ে ওঠে সাম্য

গান গাওয়ার সময় সামনের একটি গামলায় কাঁচা আম ভর্তার প্রস্তুতি চলছিল৷ কিন্তু তাতে সাম্যর গান বা কাজ কোনোটাই একে অপরের বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি৷

ধীরে ধীরে এরপর ছড়িয়ে পরে সাম্যর এই প্রতিভা৷ অনেকেই তাঁর সুমিষ্ট কণ্ঠ ও আদুরে চেহারার ভক্ত বনে গেছেন৷ ‘ন্যাচারাল ট্যালেন্ট’ আখ্যা দিয়ে প্রশংসায় মেতেছেন অনেকে৷

২৬ এপ্রিল আপলোড করা লাইভ ভিডিওটি ৮০ হাজার বার দেখা হয়েছে, শেয়ার হয়েছে প্রায় ৯০০ বার৷ এছাড়া বিভিন্ন পেজে আপলোড করা হচ্ছে ভিডিওটি৷ সাম্যর বাসায় জাতীয় গণমাধ্যমগুলোও আসছে তার সুরেলা কণ্ঠের জাদু খুঁজতে৷

তামিম ইয়ামীন পরবর্তীতে সাম্যর বিস্তারিত পরিচয় দিয়েছেন ফেসবুকে, ‘‘মা Arjuman Mostari ও বাবা আজমত আলী'র ২য় সন্তান সাম্য৷ উপজেলা সমাজসেবা অফিস, মেলান্দহর অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত আছেন আজমত৷ আমাদের উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি'র শিক্ষার্থী সাম্য গান গাওয়া, ছবি আঁকা ও নাচার পাশাপাশি পড়াশুনাও করে, এবং খুব ভালোভাবে করে৷ সে উত্তর মেলান্দহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণির ছাত্রী৷''

তিনি লিখেছেন, ‘‘ওকে দেখতে চাইলে আপনাকে আসতে হবে জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলায়৷ আর যদি কষ্ট করে এতদূর না আসতে চান তবে কিছুদিন অপেক্ষা করুন৷ সে তার গান দিয়ে আপনাদের হৃদয়ের অন্দরে পৌঁছে যাবে৷''

বহুমুখী এ প্রতিভা যাতে হারিয়ে না যায়, সে ব্যাপারে দৃষ্টি রাখতে অনুরোধ করে মন্তব্য করেছেন অনেকে৷

এডিকে/এসিবি

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন