মেক্সিকোর লুপ্তপ্রায় নেকড়ে বাঁচানোর উদ্যোগ | অন্বেষণ | DW | 21.04.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অন্বেষণ

মেক্সিকোর লুপ্তপ্রায় নেকড়ে বাঁচানোর উদ্যোগ

মানুষের তাণ্ডবের ফলে বিশ্বজুড়ে অসংখ্য প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে৷ মেক্সিকোর লাজুক প্রকৃতির এক নেকড়ে প্রজাতির বংশবৃদ্ধির লক্ষ্যে উদ্যোগ চলছে৷ প্রাকৃতিক পরিবেশে সেই প্রাণীর বেঁচে থাকার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে৷

ক্রিস্টিয়ান আগিলার এমন এক জায়গায় গেছেন, যেখানে প্রায় ৩৫টি মেক্সিকান ধূসর নেকড়ে বসবাস করে৷ সেগুলি কি তাঁর ডাকে সাড়া দেবে? নেকড়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে তিনি মেক্সিকোর চিহুয়াহুয়া প্রদেশে এই প্রজাতির পুনর্বাসনের উদ্যোগে সহায়তা করছেন৷

কানিস লুপুস বাইলেয়ি প্রজাতির নেকড়ে অত্যন্ত লাজুক৷ সিয়েরা মাদ্রে অক্সিদেন্তাল পর্বতশ্রেণির প্রায় ২০ কোটি হেক্টার এলাকায় সেই প্রাণীর দেখা পাওয়া কঠিন৷ তবে কাছাকাছি নেকড়ের অস্তিত্ব টের পাওয়া যাচ্ছে৷ ক্রিস্টিয়ান আগিলার বলেন, ‘‘এখানে নেকড়ের অসংখ্য চিহ্ন রয়েছে৷ দেখে তাজাই মনে হচ্ছে৷ সম্ভবত প্রাণীগুলি কাছাকাছি কোথাও রয়েছে৷ বেঁচে আছে, খোরাকের খোঁজ করছে৷ সেটা ভালো খবর৷''

ক্রিস্টিয়ান আগিলার যে ক্যামেরা ফাঁদ পেতেছিলেন, তাতেও সেই প্রমাণ পাওয়া গেছে৷ ক্যামেরা শুধু ছবি তুলেছে৷ অন্যরা ভিডিও তুলেছেন৷ নেকড়েগুলি হৃষ্টপুষ্ট থাকায় আগিলার বেশ সন্তুষ্ট৷ এ সব ভালো খবর৷ কারণ ধূসর মেক্সিকান নেকড়ে লুপ্তপ্রায় প্রাণী৷ নেকড়ের বিষ্ঠা দেখেও আগিলার নিশ্চিন্ত হলেন৷ তাতে শিকার করা প্রাণীর লোমও দেখা যাচ্ছে৷

ভিডিও দেখুন 03:39

লুপ্তপ্রায় নেকড়ে বাঁচানোর উদ্যোগ

হরিণ, কাঠবিড়ালি ও ইঁদুরের সঙ্গে সঙ্গে জংলি টার্কিও এই প্রাণীর শিকারের তালিকায় রয়েছে৷ ল্যাবে পরীক্ষার জন্য ক্রিস্টিয়ান নেকড়ের বিষ্ঠা সংগ্রহ করেন৷ একটির মধ্যে হরিণ ও শুয়োরের লোম রয়েছে বলে তিনি মনে করছেন৷ এ দিন অনেক নমুনা পাওয়া গেল৷ ক্রিস্টিয়ান আগিলার বলেন, ‘‘যথেষ্ট খাদ্য পেলে নেকড়ে আর গরু শিকার করে না৷ গবাদি পশু পালকদের সঙ্গে সংঘাত কিছুটা কমবে বলে আশা করা যায়৷''

সেই সংঘাত মেক্সিকোর এই নেকড়ে প্রজাতির অস্তিত্ব বিপন্ন করে তুলেছে৷ গবাদি পশু পালক ও জমির মালিকরা প্রকৃতির কোলে এই প্রজাতি প্রায় নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছিল৷ এককালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ অঞ্চল থেকে মেক্সিকোর দক্ষিণ পর্যন্ত এই প্রাণী অবাধ বিচরণ করতে পারতো৷

দুই দেশের একাধিক সংগঠন জোট বেঁধে মূল প্রাকৃতিক পরিবেশে নেকড়ের সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে৷ জিনগত বৈচিত্র্য ও বর্তমান পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেবার ক্ষমতার প্রতিও বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে৷

গোরেৎকি/গার্সিয়া/এসবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়