মূলত বনায়ন খাতে বাংলাদেশি শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া | বিশ্ব | DW | 31.12.2012
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

মূলত বনায়ন খাতে বাংলাদেশি শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া

১৩ই জানুয়ারি থেকে মালয়েশিয়া যেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশি শ্রমিকদের অনলাইন নিবন্ধন শুরু হবে৷ মালয়েশিয়া ১০ হাজার কর্মীর চাহিদাপত্র পাঠানোর পর, সোমবার সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন৷

চার বছর পর মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য দরজা খুলে গেল৷ চাহিদা পত্রে মালয়েশিয়ার মানব সম্পদ মন্ত্রণালয় প্রথম মাসে ১০ হাজার শ্রমিক নেয়ার কথা জানিয়েছে বনায়ন খাতে৷ তবে আগামী তিন মাসে তারা মোট ৩০ হাজার কৃষি শ্রমিক নেবে বাংলাদেশ থেকে৷

আগামী ১৩ই জানুয়ারে থেকে অনলাইনে বিভাগ অনুযায়ী নিবন্ধন শুরু হবে, শেষ হবে ১৫ই জানুয়ারি৷ দেশের ইউনিয়নগুলোর ৪ হাজার ৫শ' তথ্য কেন্দ্রে নির্ধারিত ফর্মের মাধ্যমে অনলাইন আবেদনগুলি নেয়া হবে৷ এরপর, আবেদন পত্র যাচাই বাছাই করে লটারিরর মাধ্যমে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে৷ আর এই নিয়োগ হবে ইউনিয়ন কোটার ভিত্তিতে৷

সারা দেশে সুসমভাবে চাকরি বণ্টন করা হবে৷ ১৫ই জানুয়ারি থেকে বিভাগওয়ারি লটারি শুরু হয়ে শেষ হবে ১৮ই জানুয়ারি৷ নিবন্ধনের জন্য ৫০ টাকা ফি দিতে হবে, যা সংবাদ সম্মেলনে জানান প্রবাসী কল্যাণ এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন৷

এই কর্মীরা মালয়েশিয়ায় বেতন পাবেন ৯০০ রিঙ্গিত বা ২৫ হাজার টাকা৷ মালয়েশিয়া যেতে জনপ্রতি মোট খরচ পড়বে ৪০ হাজার টাকা৷ সাধারণভাবে, তাঁদের তিন বছরের চুক্তিতে পাঠানো হবে এবং চুক্তি নবায়নের সুযোগ থাকবে প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই৷ প্রাথমিক নির্বাচনের পর প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেয়া হবে, পরীক্ষা করা হবে স্বাস্থ্যও৷ তবে পাসপোর্ট করতে হবে নিজেদের খরচে৷

যাঁরা মালয়েশিয়ায় যেতে চান, তাঁদের সাত ধরণের যোগ্যতা থাকতে হবে৷ বাংলাদেশের নাগরিকত্ব, কৃষিকাজের অভিজ্ঞতা, বয়স ১৮ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে, গ্রাম এলাকার প্রকৃত বাসিন্দা, উচ্চতা কমপক্ষে ৫ ফুট, ওজন কমপক্ষে ৫০ কেজি এবং ২৫ কেজি মালামাল বহনের ক্ষমতা থাকতে হবে তাঁদের৷

এছাড়া, সংবাদ সম্মেলনে এ কথাও জানানো হয় যে, বনায়ন ছাড়া কৃষি, উৎপাদন, নির্মাণ এবং সেবা খাতেও বাংলাদেশ থেকে লোক নেবে মালয়েশিয়া৷

মালয়েশিয়ায় এবার লোক পাঠানো হচ্ছে সরকারি উদ্যোগে৷ ফলে আদম ব্যবসায়ীদের কোনো প্রতারণার সুযোগ থাকবে না৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন