মুম্বইয়ে ভবন ধসে মৃতের সংখ্যা বাড়ছে | বিশ্ব | DW | 01.09.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ভারত

মুম্বইয়ে ভবন ধসে মৃতের সংখ্যা বাড়ছে

ভারতের মুম্বইয়ে শতবর্ষী এক ভবন ধসে পড়ার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে৷ এ পর্যন্ত ৩৪ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে৷ উদ্ধারকর্মীরা বলছেন, ভবনের ধংসস্তূপের নীচে এখনো মানুষ আটকা পড়ে আছে৷

এ সপ্তাহে গত ১২ বছরের মধ্যে সবচেয়ে প্রবল বৃষ্টি হয়েছে ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানীমুম্বইয়ে৷ মঙ্গলবার বৃষ্টি থামলেও জনজীবন পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়ার আগেই ঘটে মর্মান্তিক এই ঘটনা৷ বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টার দিকে শহরের ভেন্ডি বাজার এলাকায় ধসে পড়ে ১১৭ বছরের পুরনো একটি ছয়তলা ভবন৷ ছ'বছর আগে ভবনটিকে ‘বিপজ্জনক' এবং ‘বসবাসের অনুপযোগী' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল৷ প্রবল বর্ষণে দুর্বল হয়ে পড়ার কারণে জীর্ন ভবনটি ধসে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে৷

ভবনটি ধসে পড়ার পর থেকেই শুরু হয় উদ্ধারকাজ৷ শুক্রবার মুম্বই পুলিশের এক মুখপাত্র বলেন, ‘‘উদ্ধারকর্মীরা বৃহস্পতিবার রাতেও বেশ কয়েকটি মৃতদেহ উদ্ধার করেছে৷ সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা ৩৪-এ দাঁড়িয়েছে৷''

জানা গেছে, ভেন্ডি বাজারের সরু গলিময় এলাকার ওই ভবনটিতে নয়টি পরিবার বাস করতো৷ বাসিন্দাদের মধ্যে এ পর্যন্ত ১৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে৷

রাজ্য সরকার ইতিমধ্যে ভবন ধসে পড়ার কারণ এবং ছয় বছর আগে খালি করার নোটিস দেয়া সত্ত্বেও ঝুঁকি নিয়ে কীভাবে মানুষ এতদিন সেখানে বাস করল, তা জানার জন্য তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে৷

গত দু' মাসে মুম্বইয়ে এটি তৃতীয় ভবন ধসের ঘটনা৷ গত জুলাই মাসেও ব্যস্ত নগরটিতে একটি পাঁচ তলা ভবন ধসে পড়েছিল৷ সেবার প্রাণ হারিয়েছিল ১৭ জন৷ তবে ভারতের এই বাণিজ্যিক নগরীতে সবচেয়ে ভয়াবহ ভবন ধসের ঘটনাটি ঘটেছিল ২০১৩ সালে৷ একটি আবাসিক এলাকার এক ভবন ধসে তখন মারা গিয়েছিল ৬০ জন৷

প্রবল বর্ষণের কারণে ভারত, বাংলাদেশ এবং নেপালের বেশ কিছু অঞ্চল এ মুহূর্তে বন্যাদুর্গত৷ দেশ তিনটিতে এ পর্যন্ত সব মিলিয়ে বন্যায় ১২ শ' মানুষ প্রাণ হারিয়েছে৷ এছাড়া পাকিস্তানের করাচিতেও বন্যাজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে অন্তত আট জনের৷

এসিবি/ডিজি (ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন