মিয়ানমার সেনার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করা উচিত | বিশ্ব | DW | 16.02.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

মিয়ানমার সেনার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করা উচিত

মিয়ানমার সফররত ইউরোপীয় ইউনিয়নের পার্লামেন্টের এক জার্মান সদস্য বার্তা সংস্থা ডিপিএ-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন৷

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংসদ সদস্যদের একটি প্রতিনিধি দল সম্প্রতি বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সফর করছেন৷ সেই প্রতিনিধি দলে আছেন বারবারা লখবিহলার নামের ঐ জার্মান আইনপ্রণেতা৷

ডিপিএ'কে দেয়া সাক্ষাৎকারে গ্রিন পার্টির সদস্য ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জার্মানির সাবেক মহাসচিব বারবারা বলেন যে, মিয়ানমার মিলিটারির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারির মতো যে কোনো সিদ্ধান্তে তিনি সমর্থন দেবেন৷

আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি ইইউ'র ফরেন অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিলের সভা বসবে৷ সেখানে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞার একটি সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে মনে করেন বারবারা৷ তিনি বলেন যে, সাত লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অত্যাচারে বাংলাদেশে পালিয়েছে৷

‘‘যে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি, তাতে একটা বিষয় স্পষ্ট যে, তাঁরা পরিষ্কারভাবে দেশে ফিরতে চান, যদিও তাঁরা তাঁদের দেশে চরম বৈষম্যের শিকার হয়েছেন৷'' বলছিলেন বারবারা৷ ‘‘কিন্তু তাঁরা নাগরিকত্ব চান৷ নিরাপদে বাঁচতে চান৷''

তিনি আরো বলেন, ‘‘তাঁরা শরণার্থী শিবিরে নিরাপদ বোধ করছেন৷''

ভিডিও দেখুন 01:06
এখন লাইভ
01:06 মিনিট

মিয়ানমারে আরো গণকবর

প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় মিয়ানমার সরকার জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থাকে যুক্ত হতে বাধা দিচ্ছে মিয়ানমার সরকার, যা উচিত হচ্ছে না বলে মনে করেন বারবারা৷ ‘‘তারা যদি মনে করে, জাতিসংঘকে বাদ দিয়ে তারা এসব করবে, তাহলে ভুল করছে৷''

ইইউ প্রতিনিধি দলটি রাখাইনসফর করতে চেয়েছিল৷ কিন্তু তাদের সফর করতে দেয়া হয়নি৷ শুক্রবার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর সঙ্গে তাদের সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে৷ কিন্তু অং সান সু কি তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় দেননি৷  তবে শোনা যাচ্ছে, নিষেধাজ্ঞা শুধু মিয়ানমারের সেনাদের ওপরই করা হবে, জনগণের ওপর নয়৷

জেডএ/এসিবি (ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়