মিয়ানমারে বিক্ষোভে সেনার গাড়ি, মৃত পাঁচ | বিশ্ব | DW | 06.12.2021

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

মিয়ানমার

মিয়ানমারে বিক্ষোভে সেনার গাড়ি, মৃত পাঁচ

ইয়াংগনে বিক্ষোভকারীদের উপর গাড়ি চালিয়ে দিল সেনা। নিহত অন্তত পাঁচজন। আহত ১৫ জন।

মিয়ানমারে এই প্রতিবাদের উপরই সেনা গাড়ি চালিয়ে দেয়।

মিয়ানমারে এই প্রতিবাদের উপরই সেনা গাড়ি চালিয়ে দেয়।

রোববার সকালে এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। গত ফেব্রুয়ারিতে মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থান হয়। নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যূত করে সেনা ক্ষমতা দখল করে। তারপর থেকে মিয়ানমারে সেনার বিরুদ্ধে সমানে বিক্ষোভ চলছে। রোববার সকালে ইয়াংগনে এমনই একটি বিক্ষোভ চলছিল। সেখানেই সেনা সোজা একটি ট্রাক চালিয়ে দেয়। ট্রাকের ধাক্কায় যারা ছিটকে পড়েন, তাদের পেটায় সেনা।

সেনার হাতে এই নিয়ে এক হাজার তিনশর বেশি প্রতিবাদকারী মারা গেলেন।

রয়টার্সকে এক বিক্ষোভকারী জানিয়েছেন, ''সেনার ট্রাক আমাকে আঘাত করে। আমি পড়ে যাই। তারপর এক সেনা আমায় রাইফেল দিয়ে মারার চেষ্টা করে। আমি রাইফেল ধরে তাকে ঠেলে সরিয়ে দিই। তারপর সে গুলি চালায়। সৌভাগ্যক্রমে আমি বেঁচে গেছি।''

ঘটনাস্থলের ফটো ও ভিডিও থেকে দেখা যাচ্ছে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে বড় বড় ব্যানার ছিল। তাদের উপর দিয়ে সেনা ট্রাক চালিয়ে দেয়। রাস্তার ধারে বেশ কিছু দেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। তারপর ট্রাক ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অন্য বিক্ষোভারীদের দিকে যায়। ট্রাকের ধাক্কায় পড়ে থাকা তিনজনকে সেনা পেটায়। 

একজন সাংবাদিক সংবাদসংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, ''বিক্ষোভকারীদের কাছে আসার পর ট্রাকটি গতি বাড়িয়ে দেয়। তারপর সেনা ট্রাক থেকে লাফিয়ে নামে। গুলি চালাতে থাকে।''

Myanmar - Protest in Yangon

ঘটনাস্থলের ছবি।

এরপরে ইয়াংগনে সন্ধ্যায় আরেকটি প্রতিবাদ হয়েছে।

বিরোধীদের নিন্দা

বিরোধী দলগুলিকে নিয়ে গঠিত ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট জানিয়েছে, ''এটা মন ভেঙে দেয়ার মতো ঘটনা। সেনা অমানবিক ও বর্বরোচিত আচরণ করেছে। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে তারা যেভাবে মানুষকে মেরেছে, তা মেনে নেয়া যায় না।''

সেনার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, যারা উসকানি দিচ্ছিল, তাদেরই মারা হয়েছে।

জিএইচ/এসজি (রয়টার্স, এএফপি)

সংশ্লিষ্ট বিষয়