মিয়ানমারে পুলিশ হেফাজতে বিক্ষোভকারীর মৃত্যু | বিশ্ব | DW | 10.03.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

মিয়ানমার

মিয়ানমারে পুলিশ হেফাজতে বিক্ষোভকারীর মৃত্যু

মিয়ানমারে বিক্ষোভ অব্যাহত। পুলিশের হেফাজতে একজনের মৃত্যু। সংবাদমাধ্যমে সেনার রেড।

আরো এক ব্যক্তিকে হেফাজতে নিয়ে মারার অভিযোগ উঠল মিয়ানমার সেনার বিরুদ্ধে। মৃত ব্যক্তি অং সান সু চি-র দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) মুখপাত্র জানিয়েছেন, মঙ্গলবার ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পুলিশ থানায় নিয়ে গিয়ে তাকে পিটিয়ে মেরেছে।

মঙ্গলবার রাত দেড়টা নাগাদ ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ইয়াঙ্গনে একাধিক মিছিল এবং বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করেছিলেন তিনি। সকালে তার মৃতদেহ সেনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তার পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে পৌঁছেছেন। দেহ নেওয়ার জন্য হাসপাতালে অপেক্ষা করছেন তারা।

ভিডিও দেখুন 01:10

৩৮ জনের মৃত্যুর পরও বিক্ষোভ থামেনি মিয়ানমারে

১ ফেব্রুয়ারি সেনা অভ্যুত্থানের পরে ১৭০০ সাধারণ মানুষকে গ্রেফতার করেছে মিয়ানমারের সেনা। এর মধ্যে এনএলডি-র প্রচুর সদস্য আছেন। অভিযোগ, থানায় আটক ব্যক্তিদের উপর অত্যাচার চালানো হচ্ছে। হাসপাতালে গিয়ে আহত ব্যক্তিদের মারা হচ্ছে। হাসপাতাল থেকে বার করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তাদের।

মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু তার জন্য বিক্ষোভ বন্ধ হচ্ছে না। গোটা দেশ জুড়েই বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন আন্দোলনকারীরা। সেনা রাতে কার্ফিউ ঘোষণা করেছে। সেই কার্ফিউ ভেঙেই রাস্তায় নেমে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। ইয়াঙ্গনে কার্ফিউ ভাঙার জন্য ৫০জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বহু বিক্ষোভকারীর বাড়িতে তল্লাশি অভিযানও চালানো হচ্ছে। অভিযোগ, বাড়ির লক ভেঙে ঘরে ঢুকে পড়ছে পুলিশ। তল্লাশির নামে বাড়িতে ভাঙচুরও চালানো হচ্ছে। বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমের দপ্তরেও পুলিশ তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে বলে জানা গেছে। সংবাদমাধ্যমের লাইসেন্স বাতিল করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ।

এরই মধ্যে এক সন্যাসীর ছবি ভাইরাল হয়েছে। মিয়ানমারের উত্তরাংশে মিটকিনা শহরে ওই সন্ন্যাসীনী সেনা জওয়ানদের সামনে বসে পড়েন। তিনি বলেন, তার প্রাণ নিয়ে নিক সেনা, কিন্তু শয়ে শয়ে আটক 'সন্তান'দের যেন ছেড়ে দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার ফের জাতিসংঘ মিয়ানমারের সেনাকে সংযত হওয়ার কথা বলেছে। সু চি-কে দ্রুত মুক্তি দেওয়ার দাবিও করা হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত মিয়ানমারের সেনা নিজেদের অবস্থান থেকে সরেনি।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এপি, এএফপি)

সংশ্লিষ্ট বিষয়