মিয়ানমারে আবারো গণহত্যার আশঙ্কা | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 23.10.2021

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

মিয়ানমার

মিয়ানমারে আবারো গণহত্যার আশঙ্কা

দেশের উত্তরাঞ্চলে হাজার হাজার সৈন্যের সমাবেশ ঘটাচ্ছে মিয়ানমারের সামরিক সরকার৷ এমন তথ্য উল্লেখ করে সেখানে বড় ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে৷

২০১৬ ও ২০১৭ সালে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের উপর নৃশংস হামলার আগে সেখানে যেভাবে সৈন্য জড়ো করা হয়েছিল একইভাবে এবার মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে সৈন্য জড়ো করা হচ্ছে৷ জাতিসংঘে জমা দেয়া এক প্রতিবেদনে মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত টম এন্ড্রুস এমন তথ্য জানিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন৷ শুক্রবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে জমা দেয়া প্রতিবেদনে তিনি দেশটিতে আরো রক্তপাত, নিপীড়ন ও নির্যাতনের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন৷

প্রতিবেদনে টম অ্যান্ড্রুস বলেন, ‘‘আরো নৃশংস অপরাধ সংগঠিত হওয়ার ব্যাপারে প্রস্তুত থাকা উচিত, যেমনটা মিয়ানমারের ওই অঞ্চলের মানুষও প্রস্তুত রয়েছেন৷ আমি খুব করে চাই যেন আমার আশঙ্কা ভুল হয়,’’ বলেন টম অ্যান্ড্রুস৷

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক বাহিনী জোরপূর্বক দক্ষিণ এশিয়ার দেশটির ক্ষমতা দখল করে৷ স্থানীয় একটি গোষ্ঠীর প্রতিবেদন অনুযায়ী, তারপর থেকে এখন পর্যন্ত এগারশোর বেশি মানুষকে হত্যা করা হয়েছে৷ গ্রেপ্তার হয়েছেন আট হাজারের উপরে৷ অ্যান্ড্রুস জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের উপর ভয়াবহ নির্যাতন চালানো হয়েছে, একারণে অনেকে মৃত্যুবরণ করেছেন৷ এমনকি শিশুরাও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে৷

মিয়ানমারের মানবাধিকার বিষয়ক বার্ষিক প্রতিবেদনে অ্যান্ড্রুস বলেন, উত্তর ও উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে লাখো সেনা ও ভারি অস্ত্র জড়ো করার তথ্য তিনি পেয়েছেন৷ যার প্রেক্ষিতে সেখানে জান্তা সরকারের সম্ভাব্য মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে৷ ‘‘এই তথ্যগুলো ২০১৬ ও ২০১৭ সালে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের উপর চালানো গণহত্যার আক্রমণের পূর্বের সামরিক সমাবেশের ভীতিকর কৌশলের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়,’’ বলেন টম অ্যান্ড্রুস৷

উল্লেখ্য নিরাপত্তা বাহিনীর দমনের শিকার হয়ে ২০১৭ সালে রাখাইন থেকে অন্তত সাত লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন৷

প্রতিবেদনে তিনি সামরিক জান্তাকে অর্থ, অস্ত্র ও বৈধতা না দিতে সব দেশের প্রতি আহ্বান জানান৷ এই চাপ অব্যাহত রাখা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি৷ 

সামরিক অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী পাঁচ হাজারের বেশি রাজনৈতিক বন্দিকে সম্প্রতি মুক্তি দিয়েছে জান্তা সরকার৷ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ান এর সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হবে না এমন সিদ্ধান্তের কয়েকদিনের মধ্যেই এই পদক্ষেপ নেয়া হয়৷ তবে অ্যান্ড্রুস জানিয়েছেন, মুক্তিপ্রাপ্তদের কাউকে কাউকে ‘আবার গ্রেপ্তার করা হয়েছে’৷ 

এফএস/এডিকে (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়