মিয়ানমারের সেনা কর্মকর্তাদের বিচার হওয়া উচিত: জাতিসংঘ | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 27.08.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

মিয়ানমার

মিয়ানমারের সেনা কর্মকর্তাদের বিচার হওয়া উচিত: জাতিসংঘ

মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ‘গণহত্যার অভিপ্রায়ে’ রোহিঙ্গা মুসলমানদের হত্যা, ধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে মনে করে জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন৷ মিয়ানমারের সেনাপ্রধানসহ পাঁচ জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তার বিচারের দাবিও তোলা হয়েছে৷

সোমবার রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতনের বিষয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সেনাপ্রধান ছাড়াও দেশটির সেনাবহিনীর আরো পাঁচ জ্যেষ্ঠ কমান্ডারকে বিচারের মুখোমুখি করার সুপারিশ করে জাতিসঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন৷


বার্তা সংস্থা ডিপিএ’র এক প্রতিবেদনে জাতিসংঘের  প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে হাজার হাজার রোহিঙ্গা মুসলিমকে গণহত্যার মাধ্যমে উৎখাত করা হয়েছে৷  মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রাখাইন রাজ্যে  হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন, শিশুদের ওপর নির্যাতনসহ নানা ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধের সাথে জড়িত বলেও প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে৷ এছাড়া মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিং অং লাইং ছাড়াও সেনাবাহিনীর আরো পাঁচজন জেষ্ঠ্য কমান্ডারকে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে বিচারের সুপারিশও করা হয়েছে প্রতিবেদনটিতে৷

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রাখাইনে নিরাপত্তা বাহিনীর বেশ কিছু স্থাপনায় ‘বিদ্রোহীদের’ হামলার পর রোহিঙ্গাদের গ্রামে গ্রামে শুরু হয় সেনাবাহিনীর অভিযান৷ শুরু হয় বাংলাদেশ সীমান্তের দিকে রোহিঙ্গাদের ঢল৷ তাঁদের কথায় পাওয়া যায় নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণ, জ্বালাও-পোড়াওয়ের ভয়াবহ বিবরণ৷


জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা মিয়ানমারের বাহিনীর ওই অভিযানকে ‘জাতিগত নির্মূল অভিযান’ হিসেবে বর্ণনা করে আসছে৷ তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মিয়ানমার বলে আসছে, তাদের ওই লড়াই ‘সন্ত্রাসীদের’ বিরুদ্ধে, কোনো জাতিগোষ্ঠীকে নির্মূল করতে নয়


প্রতিবেদনটি মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক আনএদালনের নেত্রী নোবেল জয়ী অং সান সুচি’রও সমালোচনা করেছে৷ রোহিঙ্গাদের উপর চলা এ নৃশংসতা বন্ধে সুচি কোনো ‘কর্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন’ বলে প্রতিবেদনটিতে মন্তব্য করা হয়েছে৷


আরআর/এসিবি (ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন