মিয়ানমারের ‘বিন লাদেনকে′ গ্রেপ্তারের আদেশ | বিশ্ব | DW | 29.05.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

মিয়ানমার

মিয়ানমারের ‘বিন লাদেনকে' গ্রেপ্তারের আদেশ

মুসলিমবিরোধী প্রচারণা ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা উসকে দেয়ার কারণে বিশ্বব্যাপী মিয়ানমারের ‘বিন লাদেন' হিসেবে পরিচিত তিনি৷ নাম ভিক্ষু আশিন ভিরাথু৷ ২০১৩ সালে ‘টাইম' ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদেও এই ভিক্ষুকের মুখ তুলে ধরা হয়েছিল৷

Buddhistische Mönche Birma Myanmar (Christophe Archambault/AFP/Getty Images)

ফাইল ফটো

এবার উগ্র-জাতীয়তাবাদী ধারার প্রচারণা ও সরকারের বিরুদ্ধে উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগে আশিন ভিরাথুকে  গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারি করেছে দেশটির আদালত৷

রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ এনে দেশটির জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের দায়ের করা এক মামলায় মঙ্গলবার এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত৷

তবে ভিরাথুর বিরুদ্ধে আনা রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানা যায়নি৷ মিয়ানমারের আইন অনুয়াযী, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে৷

সম্প্রতি দেশটির সেনাবাহিনীর ক্ষমতা সীমিত করে সংবিধান সংশোধন করার পদক্ষেপ নেয় মিয়ানমার সরকার৷ সংবিধান সংশোধনে সরকারের এ উদ্যোগের প্রতিবাদে সমাবেশ করেন ভিরাথু৷

এ সময় তিনি দেশটির ক্ষমতাসীন দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির নেতা অং সান সুচির বিরুদ্ধে বিদেশিদের সঙ্গে ‘অবৈধ সম্পর্ক'স্থাপনের অভিযোগও করেন৷

এর আগে ২০০৩ সালে ভিরাথুকে আটক করেছিল মিয়ানমারের সামরিক সরকার৷ পরে ২০১২ সালে জেল থেকে মুক্তি পেয়ে মুসলিমবিরোধী প্রচারণা শুরু করেন তিনি৷ সে সময় দেশটির রাখাইন রাজ্যে জাতিগত সহিংসতা দেখা দিলে প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে যায়৷

সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে আবারও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে পুনরায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ এনেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল৷ এক বিবৃতিতে অ্যামনেস্টি জানায়, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রাখাইন রাজ্যে নতুন করে বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও গুমসহ নানা ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে বলে তাদের কাছে প্রমাণ রয়েছে৷ বিবৃতিতে সংস্থাটি আরো জানায়, রাখাইন রাজ্যে নতুন করে ‘অপ্রত্যাশিত ও দায়বদ্ধতাহীন' সেনা অভিযান ঐ এলাকার সাধারণ জনগণকে ভীতসন্ত্রস্ত করছে৷

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী বলছে, তারা সব ধরনের আইন মেনেই অভিযান পরিচালনা করছে৷ এই অভিযানের সময় সাধারণ মানুষের যেন কোনো ক্ষতি না হয় সে বিষয়ে তারা ‘সতর্ক রয়েছেন' বলে দাবি করেছেন৷

গত জানুয়ারি মাসে একটি পুলিশ পোস্টে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির কথিত হামলার পর ‘বিদ্রোহীদের দমনে' সেনাবাহিনীকে অভিযান পরিচালনার অনুমতি দেয় সরকার৷

আরআর/জেডএইচ (এএফপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন