মিয়ানমারের কারাবন্দি সাংবাদিকদের প্রতি সংহতি প্রকাশ | বিশ্ব | DW | 12.12.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

মিয়ানমার

মিয়ানমারের কারাবন্দি সাংবাদিকদের প্রতি সংহতি প্রকাশ

মিয়ানমারে বার্তাসংস্থা রয়টার্সের দুই সাংবাদিকের কারাবরণের বর্ষপূর্তিতে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে তাঁদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করা হয়েছে৷ টাইম ম্যাগাজিনের ‘পারসন অফ দ্য ইয়ার' সংস্করণে এই সাংবাদিকদেরও স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে৷

রয়টার্সের দুই সাংবাদিক ৩২ বছর বয়সি ওয়া লন ও ২৮ বছর বয়সি কিঁয় সোয়ে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ইয়াঙ্গনে আটক হন৷ সেই ঘটনার দশ মাস পর মিয়ানমারের বিতর্কিত ‘রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন'-এর আওতায় তাঁদের সাত বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে৷

রয়টার্সের এই দুই সাংবাদিক গ্রেপ্তার হওয়ার পূর্বে মিয়ানমার সেনাবাহিনী কর্তৃক দশ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যারবিষয়ে অনুসন্ধান করেছিলেন৷ দুই সাংবাদিককে আটক এবং শাস্তি দেয়ায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিন্দার ঝড় ওঠে৷ মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স তাঁদের শাস্তির সমালোচনা করেন৷ তাঁদের পক্ষে আইনি লড়াইয়ে সহায়তা করতে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অধিকার বিষয়ক আইনজীবী অমল ক্লুনিকে নিয়োগ দেয় রয়টার্স৷

লন্ডনভিত্তিক সংবাদ সংস্থাটির প্রধান সম্পাদক স্টেফেন জে. আডলার এই বিষয়ে বলেন, ‘‘দুই সাংবাদিক এমন এক অপরাধের জন্য কারাভোগ করেছেন যা আসলে তাঁরা করেননি৷ এ ধরনের শাস্তি তাই গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা এবং আইনের শাসনের প্রতি মিয়ানমারের দায়বদ্ধতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে৷''

প্রসঙ্গত, ওয়া লন ও কিঁয় সোয়ে বরাবরই তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তাঁরা কেবল তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলেন৷ তাঁরা রাখাইনের একটি গ্রামে গত বছরের সেপ্টেম্বরে ১০ জন রোহিঙ্গা মুসলমানকে হত্যার ঘটনা অনুসন্ধান করছিলেন৷ তাঁরা সেখানে গিয়েছিলেন পুলিশের আমন্ত্রণে৷ নৈশভোজের সময় তাঁদের হাতে কিছু নথিপত্র তুলে দিয়েছিল পুলিশ৷ সেই রেস্তোরাঁ ত্যাগ করার পরই ঐ নথিসমেত তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়৷

আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর কিঁয় সোয়ে বলেন, ‘‘সরকার আমাদের কারাবন্দি করে রাখতে পারে৷ কিন্তু জনগণের চোখ এবং কান বন্ধ করতে পারবে না৷''

উল্লেখ্য, গতবছর রোহিঙ্গাদের উপর মিয়ানমারের সেনাবাহিনী দমনপীড়ন শুরু করলে সাতলাখের বেশি রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণ করে৷ এই সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীকে নিজেদের নাগরিক হিসেবে স্বীকার করে না মিয়ানমার৷

এআই/এসিবি (রয়টার্স, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন