মিসাইল হামলায় ইয়েমেনে কমপক্ষে ৮০ সেনাসদস্যের মৃত্যু | বিশ্ব | DW | 19.01.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইয়েমেন

মিসাইল হামলায় ইয়েমেনে কমপক্ষে ৮০ সেনাসদস্যের মৃত্যু

শনিবারের ড্রোন ও মিসাইল হামলায় ইয়েমেনে ৮৩ জন সেনাসদস্য নিহত ও ১৪৮ জন আহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপি৷ হামলার জন্য ইরান সমর্থিত হুথি বাহিনীকে দুষছে দেশটির সৌদি সমর্থিত সেনাবাহিনী৷ 

রোববার দেশটির সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে হামলার জন্য হুথি বিদ্রোহীদের দায়ী করা হয়৷ ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বরাবরই সমর্থন দিয়ে আসছে ইরান৷ অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মহলে স্বীকৃত ইয়েমেনের সরকারকে সমর্থন দিচ্ছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট৷

সামরিক বাহিনীর বরাত দিয়ে এএফপি বলছে, শনিবার সন্ধ্যায় নামাজের সময় ইয়েমেনের রাজধানী সানা থেকে প্রায় ১৭০ কিলোমিটার পূর্বে একটি সেনা ক্যাম্পের মসজিদকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়৷

এ অঞ্চলটি কেন্দ্রীয় মারিব প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত৷ পরে মারিব সিটি হাসপাতালে মৃতদেহগুলো জড়ো করা হয়৷ হাসপাতালের একটি সূত্র মৃতদেহ ও আহতের সংখ্যা নিশ্চিত করে৷

২০১৪ সালে হুথি বিদ্রোহীরা রাজধানী সানা দখল করার পর থেকে ইয়েমেনে সংঘাত শুরু হয়৷ মারিবের এই হামলা এ যাবৎ সবচেয়ে ভয়াবহ হামলার একটি৷

হামলার ঠিক একদিন আগে সামরিক জোটের সহায়তায় ইয়েমেন সরকার সানার উত্তরে নিহম অঞ্চলে বড় ধরনের অপারেশন শুরু করে৷

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো জানিয়েছে, নিহমে রোববারও সংঘাত চলছিল৷

এএফপিকে সামরিক বাহিনীর সূত্র জানিয়েছে, তাদের অপারেশনে অনেক হুথি মিলিশিয়া নিহত ও আহত হয়েছেন৷
ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট আবেদরাব্বো মানসুর হাদি এই হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন এটি ‘কাপুরুষোচিত ও সন্ত্রাসী' হামলা৷ তিনি আরো বলেন, ‘‘এমন কাজ এ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার পরিপন্থি এবং ইরানের সস্তা হাতিয়ার৷''

তবে হামলার পর এখনও হুথি বাহিনী এর দায় স্বীকার করেনি৷     

ইরান ইস্যুতে মার্কিন নীতির নিন্দা জার্মানির

Brüssel Belgien | Sondersitzung der Außenminister - Heiko Maas

জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাইকো মাস

এদিকে, ইরানকে সর্বোচ্চ চাপে রাখার মার্কিনি নীতির সমালোচনা করেছেন জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাইকো মাস৷ রোববার তিনি প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনা করে বলেন, ‘‘মনে করার কিছু নেই যে বাইরে থেকে চাপ দিয়ে ইরানের সরকার পরিবর্তন করলে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে৷ অন্যজায়গায়, যেমন ইরাকে তার ফলাফল খারাপ হয়েছে৷'' জার্মান পত্রিকা বিল্ডকে তিনি এ সাক্ষাৎকার দেন৷

২০১৮ সালের মে মাসে যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু চুক্তি থেকে নিজেদের সরিয়ে নেবার পর থেকে ওয়াশিংটন-তেহরান সম্পর্কে ব্যাপক টানাপড়েন তৈরি হয়৷

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের একজন শীর্ষ জেনারেলকে হত্যার পর যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়৷ জবাবে ইরাকে মার্কিন সেনাঘাঁটিতে হামলা চালায় ইরান৷ পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছায়াযুদ্ধ বেড়ে যাওয়ার শংকা দেখা দেয়৷

ইরান ইস্যুতে ওয়াশিংটনকে ইউরোপের নীতি অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছেন মাস৷

জেডএ/এডিকে (এএফপি, ডিপিএ) 

 

গতবছরের ছবিঘরটি দেখুন

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন