মিশরে সরকারবিরোধী তুমুল বিক্ষোভ শুক্রবার | বিশ্ব | DW | 10.02.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

মিশরে সরকারবিরোধী তুমুল বিক্ষোভ শুক্রবার

হোসনি মুবারকের পদত্যাগের দাবিতে তাহরির চত্বরে রাত কাটাচ্ছেন বিক্ষোভকারীরা৷ চলছে শুক্রবারে বড় বিক্ষোভের প্রস্তুতি৷ এদিকে, মিশরের সেনারা গোপনে বিক্ষোভকারীদের আটক করছে বলে অভিযোগ তুলেছে একটি ব্রিটিশ পত্রিকা৷

default

বিক্ষোভকারীদের দখলে তাহরির চত্বর

সর্বশেষ পরিস্থিতি

মিশরের সরকার বিরোধী বিক্ষোভকারীরা কায়রোর তাহরির চত্বর থেকে সরছেন না৷ রাতের বেলা ভীড় কম থাকলেও কয়েক হাজার বিক্ষোভকারী তাহরির চত্বরেই রাত কাটাচ্ছেন৷ এদিকে, সেদেশের ভাইস-প্রেসিডেন্ট ওমর সুলাইমান সেনা অভ্যুত্থানের যে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বিক্ষোভকারীরা৷ সরকার বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা পাঁচটি যুবগোষ্ঠীর জোট জানিয়েছে, মুবারকের পদত্যাগের দাবিতে শুক্রবার ব্যাপক গণবিক্ষোভের আয়োজন করা হবে৷ জোটের মুখপাত্র আব্দুল রহমান সমির জানান, তিনি (ভাইস-প্রেসিডেন্ট) সামরিক আইন জারির কথা বলছেন, যার অর্থ হচ্ছে চত্বর ঘিরে যারা আছে, তারা সবাই ধ্বংস হয়ে যাবে৷ এরকম কিছু হলে সাত কোটি মিশরীয় সরকার বিরোধী আন্দোলনে যোগ দেবে বলে পাল্টা হুঁশিয়ারি উচ্চারন করেছেন আব্দুল রহমান৷

Ägypten Kairo Proteste Demonstranten Flash-Galerie

মুবারকের পদত্যাগের আগে রাস্তা ছাড়তে রাজি নয় প্রতিবাদকারীরা

বিক্ষোভকারীদের ধরপাকড়ের অভিযোগ

যুক্তরাজ্যের দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকা এই খবর প্রকাশ করেছে৷ কয়েকজন বিক্ষোভকারী এবং একাধিক মানবাধিকার সংস্থার বরাতে পত্রিকাটির দাবি, গোপনে কয়েক শত প্রতিবাদকারীকে আটক করেছে সেনারা৷ এদেরকে নির্যাতনের ঘটনাও ঘটেছে৷ মিশরের এক মানবাধিকার সংস্থার পরিচালক হাসেম বাঘাত গার্ডিয়ানকে জানিয়েছেন, কারফিউ ভঙ্গের দায়সহ সন্দেহভাজন এমনকি বিদেশিদের মত দেখতে অনেককে আটক করেছে সেনারা৷ আটককৃতদের বৈদ্যুতিক শকসহ বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে৷

পশ্চিমা বিশ্বের প্রতিক্রিয়া

মিশরের সেনাবাহিনীকে আগের দিনগুলোর মতই নিরাবেগ মানে নিয়ন্ত্রিত আচরণ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র৷ তবে মিশরের জনগণের প্রত্যাশামত প্রয়োজনীয় উদ্যোগ এখনো সেদেশের সরকার নিতে পারেনি বলে মত যুক্তরাষ্ট্রের৷ জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডো ভেস্টারভেলে মিশর সরকারের জরুরী আইন প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন৷ বিক্ষোভকারী এবং সাংবাদিকদের কোনরকম ভীতিপ্রদর্শন থেকে বিরত থাকতেও মিশর সরকারকে অনুরোধ করেছেন তিনি৷ ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রধান ক্যাথরিন অ্যাশটন মিশরের সংস্কার এবং নিয়মতান্ত্রিক পালাবদলের দিকে গুরুত্ব আরোপ করেছেন৷ তিনি সকল পক্ষের সঙ্গে সংলাপ এবং অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য মিশর সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন৷

প্রতিবেদন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: ফাহমিদা সুলতানা

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও