মিশরে শিক্ষার্থীদের ভালোবাসা, বিয়ের গুরুত্ব শেখানো হচ্ছে | বিশ্ব | DW | 18.05.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

মিশর

মিশরে শিক্ষার্থীদের ভালোবাসা, বিয়ের গুরুত্ব শেখানো হচ্ছে

মিশরে তালাকের সংখ্যা বাড়ায় সরকার একটি কর্মসূচি চালু করেছে৷ এর আওতায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ভালোবাসা ও বিয়ের গুরুত্ব সম্পর্কে শিক্ষা দেয়া হচ্ছে৷

‘মাওয়াদ্দা' বা ভালোবাসা নামের এই কর্মসূচি এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে৷ ২০২০ সাল থেকে বছরে প্রায় আট লক্ষ তরুণ-তরুণীকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে৷ পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এমন কোর্স বাধ্যতামূলক করারও পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে৷

মিশরে অর্থনৈতিক কারণে অনেক দম্পতির দুজনকেই কাজ করতে হয়৷ কিন্তু তারপর ঘরের প্রায় সব কাজ মেয়েদেরই করতে হয়৷ এসব নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিবাদ থেকে বিষয়টি এক সময় তালাক পর্যন্ত গড়িয়ে থাকে৷ এক হিসেবে দেখা গেছে, ২০১৭ সালে তালাকের সংখ্যা এক লক্ষ ৯৮ হাজার ছাড়িয়ে গেছে৷ এর আগের বছরের তুলনায় সংখ্যাটি ৩ দশমিক ২ শতাংশ বেশি৷

কর্মসূচির আওতায় সম্প্রতি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সামনে একটি হাসির নাটক মঞ্চস্থ করে দেখানো হয়৷ এতে দেখা যায়, স্বামী বাইরে থেকে এসে স্ত্রীকে ঘর ঝাড়ুরত অবস্থায় দেখতে পান৷ এরপর খাবার তৈরি না থাকায় স্ত্রীর সঙ্গে উঁচু গলায় কথা বলতে থাকেন তিনি৷ উত্তরে স্ত্রী স্বামীকে জানান যে, তিনি বাচ্চাদের স্কুল থেকে নিয়ে এসেছেন, চাকরি করতেও গিয়েছিলেন৷ এরপরও যদি চুলায় রান্না চড়ানো থাকে তাহলে কি তাঁকে দোষ দেয়া যায়?

এই নাটক দেখার পর উপস্থিত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা বলেন, স্বামীদেরও ঘরের কাজ করা উচিত৷

২৩ বছরের জুলিয়া গোসেফ তাঁর বন্ধুকে নিয়ে নাটকটি দেখেছেন৷ এরপর তিনি রয়টার্সকে জানান, অর্থনৈতিক কারণে বিয়ের পর তাঁকে ও তাঁর স্বামীকে হয়ত কাজ করতে হতে পারে৷ তখন নাটকের মতোই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করেন তিনি৷

মাওয়াদ্দার উপকরণগুলো ইউটিউবেও পাওয়া যাবে৷ এছাড়া বেতার অনুষ্ঠান ও শিক্ষামূলক নাটকের মাধ্যমেও কর্মসূচিটি বাস্তবায়িত হবে বলে জানা গেছে৷

কর্মসূচিটি সোশাল সলিডারিটি মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাস্তবায়িত হচ্ছে৷ সেখানকার কর্মকর্তা আমর ওথম্যান বলেন, ‘‘সমস্যার মূল উৎপাটন করতে চাইলে বিয়ের আগেই শিক্ষা দিতে হবে৷''

গত জুলাইতে তরুণদের এক সম্মেলনে মিশরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ আল-সিসি বলেছিলেন, তালাক ও বিচ্ছেদের মানে হচ্ছে লক্ষ লক্ষ শিশু বাবা-মায়ের মধ্যে মাত্র একজনের সঙ্গ পেয়ে বড় হচ্ছে৷

মাওয়াদ্দা প্রকল্পটি প্রেসিডেন্ট সিসি'র এই উদ্বেগের কারণে শুরু হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন৷

জেডএইচ/এসিবি (রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন