মিডিয়ার টিকে থাকার পথ খুঁজতে সম্মেলন | বিশ্ব | DW | 07.11.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

গণমাধ্যম

মিডিয়ার টিকে থাকার পথ খুঁজতে সম্মেলন

ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনের পর মূল ধারার গণমাধ্যগুলোকে কীভাবে টিকে থাকতে হবে, সেই পথ খুঁজতে কথা বলছেন বিভিন্ন দেশের মিডিয়া ব্যক্তিত্বরা৷

জার্মানির বনে ডয়চে ভেলের প্রধান কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে দুই দিনের এই সম্মেলন৷ ডি ডব্লিউ অ্যাকাডেমি এবং কনরাড-অ্যাডেনোয়ার-স্টিফটুং (কেএএস) বিভিন্ন দেশের ২০০ মিডিয়া ব্যক্তিত্বকে নিয়ে এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে৷ বাংলাদেশ থেকে তিনজন এই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন৷

ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনের পর সাংবাদিকতা এবং গণমাধ্যমগুলোতে কী কী পরিবর্তন আনা উচিত বিভিন্ন অধিবেশেন এনিয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের পাশাপাশি এ বিষয়ে উন্মুক্ত আলোচনা করবেন তারা৷ সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভুল তথ্য মোকাবেলায় মিডিয়াগুলোর ভূমিকা কেমন হবে সে বিষয়েও কথা বলছেন তারা৷ এছাড়া তথ্য স্বাধীনতার লক্ষ্য অর্জনে নতুন কৌশল বিকাশের পক্ষেও মত দিয়েছেন আলোচকেরা৷

ডি ডব্লিউ অ্যাকাডেমির প্রধান কারস্টেন ফন নামেন এবং ইরেসমাস ইউনিভার্সিটি রটারড্যামের অধ্যাপক নৃবিজ্ঞানী পায়েল অরোরা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন৷ বিভিন্ন অধিবেশনে প্যানেল আলোচনার পর উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রাপ্ত থেকে আসা সংবাদকর্মীরা৷

বাংলাদেশ এনজিও নেটওয়ার্ক ফর রেডিও অ্যান্ড কমিউনিকেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ এইচ এম বজলুর রহমান প্রথম অধিবেশন শেষে ডয়চে ভেলেকে বলেন, ডিজিটাল ট্রন্সফরমেশনের জন্য সব ধরনের মিডিয়া যেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে৷ টেকনোলজিক্যাল চ্যালেঞ্জগুলো কীভাবে মোকাবেলা করা হবে, এগুলো করতে গিয়ে কী ধরনের লিডারশিপ তৈরি করতে হবে, সেই লিডারশিপ কীভাবে মিডিয়াকে ডিজিটাল টান্সফরমেশন থেকে রক্ষা করবে এসব নিয়ে আলোচনা করছেন তারা৷

তার মতে, ''সাংবাদিকদের আপগ্রেড করতে হবে, স্কিল বাড়াতে হবে৷ কিন্তু মিডিয়া মালিকেরা সাংবাদিকদের আপগ্রেডিংয়ের বিষয়ে খুব একটা আগ্রহ দেখান না, কারণ এতে অনেক অর্থ ব্যয় করতে হয়৷''

বাংলাদেশের ৫৭ শতাংশ বিজ্ঞাপন সাইবার স্পেসে চলে যাচ্ছে বলে এক পরিসংখ্যান তুলে ধরে বজলুর বলেন, গতবার বিজ্ঞাপন বাবদ ৪১৫ কোটি টাকা ফেসবুক ও গুগলকে দেয়া হয়েছে৷

ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আশফাকুল হক বলেন, এই মুহূর্তে মিডিয়া বিরাট একটা ক্রাইসিস পিরিয়ডের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে৷ মিডিয়া বিজনেস এবং জার্নালিজম ল্যান্ডস্কেপ টেকনোলজির কারণে র্যাপিডলি চেঞ্জ হচ্ছে... ফি মিডিয়ার জন্য গণতন্ত্র দরকার৷ এ ধরনের সম্মেলন সুযোগ করে দিয়েছে এই স্ট্রাগল তারা কীভাবে মোকাবেলা করছে, কীভাবে ওভারকাম করছে, সাংবাদিকতাকে বাঁচিয়ে রাখার যে প্রচেষ্টা, কার কী অভিজ্ঞতা এবং ইনোভেশন সেসব জানতে পারছি৷

সোশাল মিডিয়ায় সবাই গ্লোবাল মিডিয়ার স্বাদ পাচ্ছে জানিয়ে আশফাকুল বলেন, ‘‘আমরা অনেক বিষয়ে যখন রিপোর্ট করতে পারছি না, সরকার কখনো আমাদোর উপর একটি ক্রিটিকাল ভিউ দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে যেতে পারছে অথবা কোনো পাওয়ারফুল অর্গানাইজেশন বা ব্যক্তি মিডিয়ার উপর অসন্তুষ্ট হচ্ছে, তখন সাংবাদিক এবং প্রতিষ্ঠান হ্যারাজমেন্টের স্বীকার হয়, এই জায়গাটা কীভাবে ট্যাকেল করা যায়, এজন্য বিশ্বের সাংবাদিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটা যোগাযোগ দরকার৷ কারণ মিডিয়া না থাকলে ডেমোক্রেসির ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসবে৷

রেডিও ভূমির স্টেশন প্রধান শামস সুমন ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘মিডিয়াগুলো সোশাল মিডিয়াকে তাদের বাহন হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে৷ কিন্তু তারা বাহন হতে গিয়ে মূল মিডিয়াটাই চলে যাচ্ছে সোশাল মিডিয়ায়৷ কীভাবে সোশাল মিডিয়া মূল মিডিয়াগুলো ব্যবহার করবে এখানে সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে৷

এসআই/কেএম

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন