মাস্কের বাধ্যবাধকতা তুলে দিল জার্মানি | জার্মানি | DW | 05.04.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

মাস্কের বাধ্যবাধকতা তুলে দিল জার্মানি

কিছু রাজ্যে উচ্চ সংক্রমণ হার সত্ত্বেও করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত বিধিনিষেধ শিথিল করেছে জার্মানি৷ গত দুই বছরের মধ্যে প্রথম বারের মতো দেশটির মানুষ মাস্ক ছাড়াই এখন দোকানে যেতে পারবেন৷

কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জার্মানিতে শুধু বিমান এবং দূর পাল্লার ট্রেনে চলাচলের ক্ষেত্রেই মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতা থাকছে৷ তবে রাজ্য সরকার চাইলে হাসপাতাল, সেবাকেন্দ্র এবং গণপরিবহণে মাস্ক পরার নিয়ম চালু রাখতে পারবে৷

গত শুক্রবারই বার্লিনে ফেডারেল সরকারে পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়৷ বেশিরভাগ রাজ্য রবিবার থেকেই তা কার্যকর করেছে৷ ১৬ টি রাজ্যের মধ্যে কেউ কেউ অবশ্য এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিল৷

সিদ্ধান্তে সহমত প্রকাশ করা রাজ্যগুলোতে দোকানে মাস্ক পরতে হবে কিনা সেটি দোকান মালিকের উপর ছেড়ে দেয়া হয়েছে৷ সোমবার অনেক দোকান মালিক জানিয়েছেন, ক্রেতাদের বেশিরভাগই মাস্ক পরেই কেনাকাটা করেছেন৷

সংক্রমণের ঝুঁকিতে কর্মীরা

বড় সুপারশপগুলোর অনেকেই এরইমধ্যে ক্রেতাদের জন্য মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়েছে৷ রেভে, আলডি, লিডল, এডেকা, সুইডিশ আসবাবের দোকান ইকেয়া, বইয়ের দোকান থালিয়া এবং ফ্যাশন ব্র্যান্ড এইচ এন্ড এম ও প্রাইমার্ক জানিয়েছে তাদের দোকানে যেতে আর মাস্ক পরিধানের প্রয়োজন নেই৷

তবে কিছু নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান এবং তাদের কর্মচারীরা নিয়ম শিথিলের কারণে সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন৷ এ নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে একটি ট্রেড ইউনিয়নও৷  

পরিবর্তন আসছে কোয়ারান্টিন বিধিতেও

শুধু মাস্ক নয় কোয়ারান্টিনের নিয়মও শিথিল করেছে জার্মানির সরকার৷ স্বাস্থ্যমন্ত্রী কার্ল লাউটারবাখ বলেন, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিকে আগামী মাস থেকে আর কোয়ারান্টিনে থাকার জন্য বাধ্য করা হবে না৷ তবে কেউ আক্রান্ত হলে তিনি যাতে স্বেচ্ছায় আলাদা থাকেন সেই পরামর্শও দিয়েছেন তিনি৷ লাউটারবাখ বলেন, ‘‘মে মাসের ১ তারিখ থেকে কোয়ারান্টিনের নিয়ম বদলে যাচ্ছে, তবুও আমি আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা থাকার পরামর্শ দিবো৷''

তবে স্বাস্থ্যকর্মীরা এই আইনের বাইরে থাকবেন৷ করোনা আক্রান্ত হলে তাদেরকে বাধ্যতামূলকভাবে পাঁচ দিন কোয়ারান্টিনে থাকতে হবে।

এএস/এফএস (ডিপিএ, কেএনএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন