মাশরাফী কোথায়? | বিশ্ব | DW | 21.10.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ক্রিকেট

মাশরাফী কোথায়?

ক্রিকেট ও ক্রিকেটারদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনসহ নানা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করলেন জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়রা৷ কিন্তু সেখানে দলের অন্যতম কাণ্ডারি মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা কোথায়? 

সোমবার দুপুরে মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিমসহ জাতীয় ক্রিকেটারদের অনেকেই উপস্থিত হয়ে সংবাদ সম্মেলন করলেন৷ তারা ডাক দিলেন ধর্মঘটের৷ বললেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত দলের হয়ে মাঠে নামবেন না তারা৷ কোনো ক্রিকেট কার্যক্রমে অংশ নেবেন না৷ 
সার্বিকভাবে দাবিগুলোকে যৌক্তিকই মনে হয়েছে৷ যেমন, ঘরোয়া ক্রিকেটের মান উন্নয়ন৷ এ নিয়ে জোর গলায় কথা হচ্ছে গত কয়েক দশক ধরে৷ কিছুটা উন্নতি হয়েছে সময়ের পরিক্রমায়৷ কিন্তু আরো অনেক উন্নতি করার সুযোগ রয়েছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই৷ সেখানে সিরিজ সংখ্যা বাড়নোসহ এসব দাবি করা তাই ক্রিকেটারদের মানায়৷ 
বেতন ভাতার বিষয়গুলো নিয়ে আগেও কথা হয়েছে৷ এবার জাতীয় লীগে যে পারিশ্রমিক বাড়ানো হয়েছে, তাতে সন্তুষ্ট নন ক্রিকেটাররা৷ তারা চান এগুলো বাড়ুক৷ সেটাতেও অসুবিধা কিছু নেই৷ জাতীয় দলে চু্ক্তিভিত্তিক খেলোয়াড়দের সংখ্যা বাড়ানোর দাবিও করেছেন তারা৷ কোচ, গ্রাউন্ডসম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের বেতন বাড়ানো, ক্রিকেটারদের প্রিমিয়ার লীগের বকেয়া পরিশোধসহ অনেক দাবি আছে৷ এগুলো সবই যৌক্তিক৷ 


সেগুলোর জন্য তারা সংবাদ সম্মেলন করেছেন৷ সেটিও যৌক্তিক৷ কিন্তু তার জন্য ধর্মঘট ডাকার প্রয়োজন ছিল কি না, তা বুঝতে পারছি না৷ আরো বুঝতে পারছি না, মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা, যিনি দলের অন্যতম কাণ্ডারি, তিনি কেন এখানে নেই? এসব দাবি নিয়ে তাঁর কোনো সমস্যা থাকার কোনো কারণও দেখছি না৷ তাহলে কোথায় তিনি? তিনি তো এখনো অবসর নেননি৷ তাহলে দলের এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের সময়ে সেখানে কেন তিনি নেই? স্বভাবতই এই প্রশ্ন আসবে এবং আসছে৷ 
তিনি না থাকার একাধিক কারণ থাকতে পারে৷ প্রথমত, তিনি এসব দাবি দাওয়ার সঙ্গে একমত নন৷ যেটা আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে না৷ হতে পারে তাঁর আরো দাবিদাওয়া ছিল, যেগুলো মানা হয়নি৷ দ্বিতীয়ত, হতে পারে দাবি আদায়ের পদ্ধতি তাঁর পছন্দ হয়নি৷ তৃতীয়ত, তিনি সংসদ সদস্য৷ তাই অন্যান্য কাজে ব্যস্ত৷ অথবা হয়তো এর কোনোটিই নয়৷ ভিন্ন কোনো কারণ৷ সে যাই হোক, দলের এমন কঠোর অবস্থানের সময় তাঁর কোনো বক্তব্য থাকবে না, সেটা মানা কষ্টকর৷ 
সে যাই হোক, ক্রিকেটে স্বস্তি ফিরে আসুক৷ সবাই এর উন্নয়নের জন্য কাজ করুক৷ সেটাই প্রত্যাশা৷ 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন