মালয়েশিয়ার মুরগি রপ্তানি বন্ধে বিপদে সিঙ্গাপুর | বিশ্ব | DW | 01.06.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

সিঙ্গাপুর

মালয়েশিয়ার মুরগি রপ্তানি বন্ধে বিপদে সিঙ্গাপুর

সিঙ্গাপুরের জাতীয় খাবার হচ্ছে মুরগি ভাত৷ সাদা ভাত আর জ্বাল দেয়া মুরগির মাংস, সঙ্গে সবজি - এই হলো মুরগি ভাত৷ কিন্তু সমস্যা হচ্ছে মুরগির চাহিদার প্রায় পুরোটাই আমদানি করা হয়৷ বিপদটা সেখানেই৷

BdT Hühnerhaltung als Hobby in Corona-Zeiten

ফাইল ফটো

সিঙ্গাপুর ফুড এজেন্সির হিসবে দেশটি মালয়েশিয়া থেকে ৩৪ শতাংশ, ব্রাজিল থেকে ৪৯ শতাংশ ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১২ শতাংশ মুরগি আমদানি করে থাকে৷

ইউক্রেন যুদ্ধ, খারাপ আবহাওয়া ও করোনা মহামারির কারণে সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটায় মালয়েশিয়ায় মুরগির খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে৷ সে কারণে বুধবার থেকে মুরগি রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে দেশটি৷

মুরগি ভাত বিক্রি করে এমন দোকানের মালিক ডেনিয়েল তান বলছেন রান্নার জন্য তিনি মালয়েশিয়া থেকে জীবন্ত মুরগি কিনে আনেন৷ কিন্তু এখন নিষেধাজ্ঞা দেয়ায় তাকে হয়ত ব্রাজিল থেকে আসা ফ্রোজেন মুরগি ব্যবহার করতে হবে, যা খাবারের স্বাদ কমিয়ে দিবে৷ সে কারণে ব্যবসায় ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তান৷

মুরগির খাবার হিসেবে সাধারণত সয়াবিন ও শস্যকণা দেয়া হয়৷ মালয়েশিয়া এগুলো আমদানি করে৷ বর্তমানে এগুলোর সংকট দেখা দেয়ায় বিকল্প খোঁজা হচ্ছে৷ কিন্তু বিকল্প খাবারের মান কম হওয়ায় মুরগি সময়মতো বড় হচ্ছে না৷ এতে খামারিরা বিপদ পড়ছেন৷

খামার মালিক সায়জুল আব্দুল্লাহ সামিল জুলকাফলি জানান, তিনি সাধারণত বছরে সাতবার ব্রয়লার মুরগি বিক্রি করেন৷ কিন্তু এবার মুরগির খাবারের মান কম হওয়ায় মুরগি সময়মতো বড় হতে পারছে না বলে তাকে হয়ত পাঁচবার মুরগি বিক্রি করতে হবে৷

জুলকাফলি বলেন, করোনা মহামারির কারণে এমনিতেই খামার পরিচালনা খরচ বেড়ে গেছে৷ তার সঙ্গে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা যোগ হওয়ায় খামারিদের অবস্থা আরও খারাপ হবে৷

মালয়েশিয়া সরকার অবশ্য খামার মালিকদের জন্য প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার ভর্তুকির ব্যবস্থা করেছে৷

জেডএইচ/কেএম (রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়