মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলা | বিশ্ব | DW | 08.01.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইরাক

মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

প্রত্যাঘাতের হুমকি আগেই ছিল। কাসিম সোলেইমানির উপর হামলার প্রত্যুত্তরে এবার ইরাকে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালালো ইরান। এখনো পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর জানায়নি মার্কিন সৈন্যরা।

আশঙ্কা ছিলই। যুদ্ধের দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল মধ্যপ্রাচ্য। ইরাকে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালালো ইরান। অ্যামেরিকা ফের এর জবাব দেবে কি না, আপাতত জল্পনা চলছে তা নিয়েই। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, বুধবারই এ বিষয়ে দেশের মানুষকে বার্তা দেবেন তিনি। ইরানের একটি সূত্রের দাবি হামলায় ৮০ জন মার্কিন সৈন্যের মৃত্যু হয়েছে। তবে অ্যামেরিকা এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও তথ্য জানায়নি।

গত শুক্রবার ইরাকের রাজধানী বাগদাদে ইরানের অন্যতম জেনারেল কাসিম সোলেইমানির উপর ড্রোন হামলা চালায় অ্যামেরিকা। ঘটনাস্থলেই নিহত হন সোলেইমানি। যাঁকে মনে করা হত ইরানের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। সোলেইমানির উপর মার্কিন হামলার পরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মধ্যপ্রাচ্য। ইরান সরাসরি জানিয়ে দেয়, অ্যামেরিকাকে এর ফল ভুগতে হবে। যে কায়দায় সোলেইমানিকে হত্যা করেছে, তা নিয়ে পৃথিবী জুড়ে কূটনৈতিক মহলে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। মার্কিন কংগ্রেসেও ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ কার্যত সমালোচিত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ইরাক থেকে জার্মানি সহ বিভিন্ন দেশ তাদের সেনা এবং নাগরিকদের সরিয়ে নিতে শুরু করেছে। ইরাকের পার্লামেন্টও প্রস্তাব নিয়েছে যে সে দেশে বিদেশি সৈন্য থাকতে দেওয়া হবে না। যদিও ইরাকের সরকার সেই প্রস্তাবে এখনও শিলমোহর দেয়নি। এরই মধ্যে অ্যামেরিকা জানিয়ে দিয়েছে ইরাক থেকে মার্কিন সেনা সরানোর কোনও প্রশ্নই নেই। যা পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করেছে।

মনে রাখা দরকার, মধ্য প্রাচ্যে অ্যামেরিকার শক্তিবৃদ্ধি হয়েছে ইরাককে কেন্দ্র করেই। সাদ্দাম পরবর্তী ইরাক অ্যামেরিকার মুখাপেক্ষী। ইরাকের মাটিকে ব্যবহার করেই ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে অ্যামেরিকা। ফলে সেখানে তাদের শক্তিশালী সামরিক ঘাঁটি আছে। ইরান শুক্রবার যে মিসাইল হামলা চালিয়েছে, তা ইরাকে অবস্থিত অ্যামেরিকার সব চেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করেই। ইরান জানিয়ে রেখেছে, এমন হামলা চলতেই থাকবে। এখন ট্রাম্প যদি এর প্রত্যুত্তরে ফের ইরানে হামলা চালান, তাহলে ছায়া-যুদ্ধ প্রকাশ্য যুদ্ধের চেহারা নেবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এপি, এএফপি) (বিস্তারিত আসছে) 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন